বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ

বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ সকলের নিকট তা জানতে নিচের আলোচনাগুলি খুব মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন।
বৈশাখ-মাসে-বুদ্ধ-পূর্ণিমার-দিনটি-কেন-বিশেষ
মূলত বৈশাখ মাসের বুদ্ধ পূর্ণিমা তিথি বৌদ্ধ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিকট অত্যন্ত পবিত্র একটি তিথি। কারণ এই দিনে সনাতন ধর্মের নবম অবতার এবং বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক ভগবান গৌতম বুদ্ধের জন্মলাভ, বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণ সাধিত হয়েছে।

সূচিপত্রঃ বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ

বুদ্ধ পূর্ণিমা কী?
বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমা তিথি আরম্ভ ও শেষ কখন?
বুদ্ধ পূর্ণিমার প্রকৃত তাৎপর্য এবং গুরুত্বসমূহ
এক নজরে গৌতম বুদ্ধের সংক্ষিপ্তকর ইতিহাস
গৌতম বুদ্ধের প্রকৃত মূল শিক্ষা কী?
বাংলাদেশে কীভাবে উদযাপিত হয় এই দিবস
অঞ্চলভেদে সারাবিশ্বে বুদ্ধ পূর্ণিমা কী নামে অভিহিত?
পরবর্তী বছরগুলোতে বুদ্ধ পূর্ণিমা কত তারিখে অনুষ্ঠিত হতে পারে
বুদ্ধ পূর্ণিমাকে ৩টি ঘটনার দিন বলা হয় কেন?
বুদ্ধ পূর্ণিমায় কোন কোন খাবার খাওয়া বারণ
বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ-শেষ কথা

বুদ্ধ পূর্ণিমা কী?

বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ এর প্রকৃত অর্থে বুদ্ধ পূর্ণিমা হলো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব। কারণ এই পূর্ণিমার তিথিতেই ভগবান বুদ্ধের তিনটি ঘটনার একসাথে সংমিশ্রণ ঘটেছে। যেমন-গৌতম বুদ্ধের জন্ম, তাঁর বোধিলাভ বা দিব্যজ্যোতি লাভ অর্থাৎ জ্ঞান লাভ এবং মহাপরিনির্বাণ অর্থাৎ মহাপ্রয়াণ। সাধারণত পঞ্জিকা অনুযায়ী প্রত্যেক বছরের এপ্রিল বা মাসে মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই দিনটি পালিত হয়ে থাকে।

বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমা তিথি আরম্ভ ও শেষ কখন?

সাধারণত পঞ্জিকা অনুসারে বৈশাখ মাসে পূর্ণিমার তিথি শুরু হবে ৩০ এপ্রিল রাত্রে কিন্তু উদয় তিথি অর্থাৎ সূর্যোদয়ের তারিখ অনুযায়ী তা ১ মে শুক্রবার হবে স্নান ও উপোস।

আরও পড়ুনঃ রাজশাহী হতে পটুয়াখালী বাস ভাড়া ও সময়সূচি

মোট কথা পূর্ণিমা শুরু হবে রাত্রি ৯.১৩ মিনিটে
আর পূর্ণিমার সমাপ্তি ঘটবে ১ মে রাত্রি ১০.৫২ মিনিটে।
স্নান সমাপ্তি এবং পূজোর জন্য শুভ সময় হলোঃ
ব্রহ্ম মুহুর্তের সময় অর্থাৎ সকালের স্নান হলো ভোর ৪.১৫ মিনিট হতে ৪.৫৮ মিনিট পর্যন্ত
এবং পূজোর সময় হলো সকাল ১১.৫২ মিনিট হতে দুপুর ১২.৪৫ মিনিট পর্যন্ত
আর সন্ধ্যায় প্রার্থনার সময় হলো ৬.৫৬ মিনিট হতে রাত্রি ৮.৪১ মিনিট পর্যন্ত।

বুদ্ধ পূর্ণিমার প্রকৃত তাৎপর্য এবং গুরুত্বসমূহঃ

এই দিনটি সারাবিশ্বের মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যমন্ডিত এই কারণে যে, তা বিশ্ববাসীকে অহিংসা, করুণা বা ক্ষমা এবং জ্ঞানের পথে পরিচালিত করবার একটি স্মরণমালা। অর্থাৎ কালক্রমে ঘটে যাওয়া তিনটি ঘটনার মহামিলন হলো বুদ্ধ পূর্ণিমা। প্রথমতঃ ভগবান বুদ্ধের নেপালের লুম্বিনী কাননের শালবৃক্ষ ছায়ায় উন্মুক্ত আকাশের নীচে জন্মলাভ। দ্বিতীয়তঃ দীর্ঘ ছয় বছর অবিরাম সাধানার মাধ্যমে তিনি বোধিলাভ বা সম্বুদ্ধ বা বুদ্ধত্ব লাভ করেন এই পূর্ণিমা তিথিতেই। তৃতীয়তঃ দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সারাবিশ্বের সর্বশ্রেণী মানুষের নিকট এক নতুন ধর্মাদর্শ প্রতিষ্ঠা করেন এবং আশি বছর বয়সে তিনি হিরণ্যবতী নদীর তীরে কুশিনারার মল্লদের শালবনে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ বা মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন এই বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতেই।

এক নজরে গৌতম বুদ্ধের সংক্ষিপ্তকর ইতিহাসঃ

গৌতম বুদ্ধের শৈশবের নাম ছিল সিদ্ধার্থ গৌতম। এই মহামানব খ্রীষ্টপূর্ব আনুঃ ৫৬৩ বা ৬২৩ অব্দে নেপালের লুম্বিনীতে শাক্য বংশের এক রাজ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিলো শুদ্ধোধন এবং মাতার নাম ছিল মায়াদেবী। তিনি জন্মগ্রহণকালে জ্যোতিষী ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে, এই শিশু হয় মহারাজা হবে অথবা মহাজ্ঞানী হবে।

মাত্র ২৯ বছর বয়সে তিনি রাজ্য তথা রাজপ্রাসাদ, স্ত্রী যশোধরা এবং প্রিয় পুত্র রাহুলকে ছেড়ে মানবজাতির দুঃখের কারণ অনুসন্ধানে গৃহত্যাগী হোন।

এরপর তিনি নানাভাবে, নানান্থানে জ্ঞানার্জনে ঘুরে বেড়ান এবং দীর্ঘ ছয় বছর কঠোর তপস্যা করে অবশেষে ভারতের বিহার রাজ্যের বোধগয়ায় অশ্বত্থ গাছের নিচে ধ্যানে বসে তিনি বোধিলাভ অর্থাৎ সর্বোচ্চ জ্ঞান লাভ করেন। আর তারপর থেকেই তিনি জগতে স্বীকৃত হোন ‘বুদ্ধ’ অর্থাৎ জাগ্রত পুরুষ হিসেবে।

তিনি প্রায় ৪৫ বছর ধরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে তাঁর অর্জিত শিক্ষা প্রচার করতে থাকেন। তবে তাঁর প্রথম উপদেশ বাণী প্রচার করেন বারানসীর কাছে সারনাথ নামক স্থানে।

পরবর্তীতে তিনি মাত্র ৮০ বছর বয়সে ভারতের উত্তর প্রদেশের কুশিনগরে মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণ বিশ্বাস করেন যে, এই দিনটিও বৈশাখ পূর্ণিমার দিন ছিল।

গৌতম বুদ্ধের প্রকৃত মূল শিক্ষা কী?

গৌতম বুদ্ধ কর্তৃক প্রাপ্ত শিক্ষা সারাবিশ্বে আজও প্রায় ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে পথ দেখায়। অর্থাৎ তিনি জীবন-যাপন এবং জীবন চলার পথে মানুষের নানাবিধ বিষয়ে চতুরার্য সত্য তুলে ধরেছেন। যেমন তিনি বলেছেন, দুঃখ সত্য, অর্থাৎ প্রাণির জীবনে দুঃখ আছে, যেমন-জন্ম, পরবর্তীতে বার্ধক্য, রোগ-ব্যাধি, মৃত্যু ইত্যাদি সবই দুঃখময়। আবার তিনি সমুদয় সত্য হিসেবে বলেছেন, দুঃখের কারণ হলো তৃষ্ণা বা আসক্তি। আবার তিনি নিরোধ সত্য হিসেবে বলেছেন, তৃষ্ণা নির্মুল করলে দুঃখেরও নিবৃত্তি সম্ভব। আর পরিশেষে তিনি মার্গ বা পথ হিসেবে দেখিয়েছেন যে, দুঃখ নিবৃত্তির পথ হলো আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ। সুতরাং তাঁর প্রতিটি নির্দেশই যে চলমান জীবনের নানা প্রতিকূলতাকে নির্দেশ করে থাকে তা অত্যন্ত সত্য।

আরও পড়ুনঃ রাজশাহী টু দিনাজপুর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া

বৌদ্ধ ধর্ম পালনে তিনি পঞ্চশীল বা পাঁচটি মূলনীতির বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন-অহিংসা হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন “প্রাণি হত্যা থেকে বিরত থাকা’, অচৌর্য হিসেবে বলেছেন, “অন্যের সম্পদ না নেওয়া”, সত্য ব্রহ্মচর্য হিসেবে বলেছেন, “কাম-মিথ্যাচার না করা, সত্য নিষ্ঠা হিসেবে “মিথ্যা না বলা” এবং সংযম থাকার ক্ষেত্রে তিনি বলেছেন, “মাদক ও নেশা থেকে দূরে থাকা। আসলে এই উক্তিগুলি বা নির্দেশনাগুলি একজন মানুষের জীবনে চলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সত্য।

বাংলাদেশে কীভাবে উদযাপিত হয় এই দিবসঃ

বাংলাদেশে এই দিনটি উদযাপিত হয়ে থাকে নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। যেমন-এই দিনে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়, এ ছাড়াও ফুল, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন এবং ধুপ-ধুমা দিয়ে বুদ্ধমূর্তির পূজা করা হয়ে থাকে। এই দিনে ভক্তরা সূর্যোদয়ের আগেই বিহারে একত্রিত হয়ে প্রার্থনা করেন এবং ধ্যানেও অংশগ্রহণ করে থাকেন। সন্ধ্যার দিকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগণ তাদের বাড়ি এবং বিহারে অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর করার নিমিত্তে নানা প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে থাকেন। ধর্মশাস্ত্র বিদ বা বৌদ্ধ ভিক্ষুরা সারাদিন ত্রিপিটক পাঠ, বিভিন্ন বৌদ্ধ শাস্ত্র পাঠ ও আলোচনা করে থাকেন। কোন কোন অঞ্চলে বিশেষ করে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি এবং বান্দরবন অঞ্চলগুলোতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে থাকে। এই বিশেষ দিনে তারা গরিব ও অসহায়দের মধ্যে খাবার ও বস্ত্র বিতরণ করেন। এ ছাড়াও বৈশাখী পূর্ণিমার দিনে অনেকেই নিরামিষ আহার করে থাকেন।

অঞ্চলভেদে সারাবিশ্বে বুদ্ধ পূর্ণিমা কী নামে অভিহিত?

বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ তার কারণ হলো এটি সারাবিশ্বের প্রায় ৪০টিরও বেশি দেশে একযোগে পালিত হয়ে থাকে। অবশ্য অঞ্চল এবং ভাষাগত ভেদে এই মহান দিনটি বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রীতিতে পালিত হয়ে থাকে। অর্থাৎ ভারতে এই বুদ্ধ পূর্ণিমাকে বুদ্ধ জয়ন্তী বা বৈশাখ পূর্ণিমা বলা হয়। সেখানে বোধগয়া এবং সারনাথে বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়ে থাকে। আবার শ্রীলঙ্কাতে এই দিনটিকে স্থানীয় ভাষায় “ভেসাক” নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। তবে এই দিনে তারা কাগজের লন্ঠন এবং পিনাটা উৎসবের আয়োজন করে থাকে। থাইল্যান্ডে এটিকে “ভিসাক বুচা” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে এবং এইদিনে সেই দেশে সরকারি ছুটিসহ মোমবাতি প্রজ্জ্বলন এবং শোভাযাত্রার আয়োজন করে থাকে। মিয়ানমারে এটির স্থানীয় নাম হলো “কাসন পূর্ণিমা”। নেপালে “বুদ্ধ জয়ন্তী”, জাপানে “হানামাৎসুবি”, চীন ও তাইওয়ানে “ইউফোজিয়ে” এবং মালয়েশিয়াতে স্থানীয় নাম হিসেবে এটাকে বলে "Hari Wesak"।

পরবর্তী বছরগুলোতে বুদ্ধ পূর্ণিমা কত তারিখে অনুষ্ঠিত হতে পারেঃ

মূলত নিন্মোক্ত তারিখগুলিতে বাংলাদেশে বুদ্ধ পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হবে, যার প্রথম তারিখ ১লা মে। এরপর ২০২৭ এবং ২০২৮ সালে কত তারিখ এবং কোন দিনে বুদ্ধ পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হবে তা বর্ণিত হলোঃ

২০২৬ সালের ১ মে, শুক্রবার
২০২৭ সালের ২০ মে, বৃহস্পতিবার
২০২৮ সালের ৯ মে, মঙ্গলবার

বুদ্ধ পূর্ণিমাকে ৩টি ঘটনার দিন বলা হয় কেন?

প্রকৃতপক্ষে বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিকে বৌদ্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী এক মহামিলনের দিন বলা হয়ে থাকে। এর কারণ হলো এই দিনে ভগবান বুদ্ধের জন্মলাভ ঘটেছিল, তিনি বোধিলাভ অর্থাৎ জ্ঞানলাভ করেন এবং মহাপরিনির্বাণ অর্থাৎ তাঁর মহাপ্রয়াণ ঘটে। আর তিনটিই ঘটে এই বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে। তাই অন্যান্য ধর্মীয় দিনের চেয়ে এই দিনটি বিশেষভাবে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের নিকট এক অতীব গুরুত্বপূর্ণ দিন।

বুদ্ধ পূর্ণিমায় কোন কোন খাবার খাওয়া বারণঃ

সাধারণত বৈশাখ মাসের বুদ্ধ পূর্ণিমাতে ভক্তরা আমিষ খাবার যেমন-মাছ, মাংস, মদ, সিগারেটসহ যে কোন নেশাজাতীয় দ্রব্যাদি থেকে নিজেদের বিরত রাখেন বা গ্রহণ করেন না। যদিও এটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মধ্যে পরে, তারপরেও অনেকেই এই দিনটিতে নিরামিষ খাবার খেয়ে থাকেন।

বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ-শেষ কথাঃ

বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ, তােউপরোক্ত আলোচনাগুলি পড়লেই জানতে পারবেন। তবে ভগবান বুদ্ধের মূল বার্তাটি কিন্তু একেবারেই স্পষ্ট, অর্থাৎ তিনি বলেছেন, “জীবনে দুঃখ আছে” আবার “দুঃখের কারণও আছে”, ইচ্ছে করলে এই “দুঃখ থেকে মুক্তিও সম্ভব” এবং এর জন্য “মুক্তির পথও আছে” যা চতুরার্য সত্য হিসেবে স্বীকৃত। সুতরাং জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা এবং পরিশেষে তার সমাপ্তি অর্থাৎ “জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা রবে” এই চিরন্তন সত্যটি আমরা সকলেই উপলব্ধি করি, কিন্তু আমরা মানব কল্যাণের উপকারের জন্য কতটুকুই বা করি? তাই আজকের আর্টিকেল বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ থেখে সে কথাই আমরা উপলব্ধি করতে পারি।

আরও পড়ুনঃ রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো

যাইহোক, অনেকেই আছেন, যাদের মনে একটি প্রশ্ন জাগে যে, “বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি” এর অর্থ কি? প্রকৃতপক্ষে এই বাক্যটি পালি ভাষায় বর্ণিতি একটি বৌদ্ধের প্রার্থনা বাক্য। যার প্রকৃত অর্থ হলো “আমি বুদ্ধের শরণে যাচ্ছি”। মূলত এটি ত্রিরত্নের (বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘ) এর প্রতি আস্থা প্রকাশের মূল মন্ত হিসেবে প্রতিটি বৌদ্ধ অনুষ্ঠানেই পাঠ করা হয়। পরিশেষে আজকের বৈশাখ মাসে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনটি কেন বিশেষ আর্টিকেল থেকে আপনারা তা জানতে ও বুঝতে পেরেছেন। আর দীর্ঘক্ষণ উপরোক্ত বিষয়গুলিতে আপনার সম্পৃক্ততা ও উপস্থিতির জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Mithu Sarker
Mithu Sarker
আমি মিঠু সরকার, দুই বছর ধরে ডিজিটাল মার্কেটিং ও এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখে আসছি। ব্লগ পোস্ট, ওয়েব কনটেন্ট ও মার্কেটিং রাইটিংয়ে আমার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। মানসম্মত ও পাঠকবান্ধব লেখার মাধ্যমে অনলাইন সফলতা গড়াই আমার লক্ষ্য।