ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে

ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে সে সব বিষয়ে জানতে নিচের লেখাগুলো পড়তে থাকুন।
ঈদ-উল-আযহা-যেভাবে-কাটানো-যেতে-পারে
ঈদ শুধু একটি উৎসবের নামই নয়, বরং এটি হলো ইসলামি ঐক্য, মানবতা এবং সর্বোপরি আত্মশুদ্ধির এক মহামিলন ক্ষেত্রসমূহ। অর্থাৎ আপনি যদি প্রকৃত তাৎপর্য বুঝতে চান, তাহলে আপনার হৃদয়ে থাকতে হবে সহানুভুতি, কৃতজ্ঞতা এবং সর্বোপরি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও আন্তরিকতা।

সূচিপত্রঃ ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে

ঈদ-উল-আযহা’র দিনে কি কি করনীয়
ঈদ-উল-আযহা’র প্রকৃত শিক্ষা কি
ঈদের দিন যেভাবে সময় কাটাবেন
ঈদের দিন নিজের জন্য একটু সময় রাখুন
বিভিন্ন দেশের ভাষাতে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়
ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে-শেষ কথা

ঈদ-উল-আযহা’র দিনে কি কি করনীয়ঃ

রাসুল (সা.) মদিনায় এসে দেখেন, সেখানকার লোকেরা বছরের দুইটা দিন (নওরোজ ও মেহেরজান) আনন্দ করে এবং তারা খেলাধুলাও করে। তখন তিনি তাদের ডেকে বললেন, ‘আল্লাহতায়ালা তোমাদের এই দুইদিনের পরিবর্তে আরও অধিক উত্তম এবং কল্যাণকর দুইটি দিন দিয়েছেন, একটি হলো ঈদ-উল-আযহা এবং অপরটি হলো ঈদ-উল-ফিতর (সুনানে আবি দাউদ: ১/১৬১)। অর্থাৎ সেইদিনের পর হতে মুসলিম উম্মাহ বছরে দুইটি ঈদ উৎসব পালন করে আসছে। তাই আমাদের অবশ্যই জানতে হবে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার দিনে কি কি করণীয় বা করা উচিত।

আরও পড়ুন ঃ রিজিক সম্পর্কে কোরআনের আয়াত - রিজিকের সূরা

০ খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে গোসল সেরে ফেলা।
০ যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী উত্তম ও পরিস্কার পোশাক পরিধান করা।
০ শরীরে সুগন্ধি মাখা।
০ ঈদগাহে যাওয়ার আগে কোন পানি পান না করা।
০ বাড়িতে শিশু থাকলে তাদের সঙ্গে নিয়ে ঈদগাহে যাওয়া।
০ চেষ্টা করতে হবে পায়ে হেঁটে এবং আগে আগে ঈদগাহে যাওয়া।
০ সকলেরই ঈদগাহে যাওয়ার সময় উচ্চস্বরে তাকবির পড়া, অর্খাৎ তাকবির পাঠের মাধ্যমে মহান আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করা হয়। তাকবির হলো-‘আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’।
০ ঈদের নামাজ শেষ হলে অবশ্যই খুতবা মনোযোগ সহকারে শোনা।
০ সম্ভব হলে এক রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে গেলে ফেরার পথে অন্য রাস্তা ব্যবহার করা।
০ একজন মুসলিম অপর একজন মুসলিমকে এই বাক্য বলে শুভেচ্ছা জানানো--‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’।
০ নামাজ শেষে পশু কোরবানি করা।
০ কোরবানিকৃত মাংস দিয়ে দিনের প্রথম আহার করা।
০ অতঃপর কোরবানির মাংস নিকটস্থ আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী এবং সর্বোপরি গরিব ও অসহায় মানুষদের মাঝে বিতরণ করা।

ঈদ-উল-আযহা’র প্রকৃত শিক্ষা কিঃ

ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে বিষয়ক আলোচনায় বলা যেতে পারে, প্রকৃতপক্ষে ঈদ-উল-আযহা হতে প্রকৃত শিক্ষা হলো ত্যাগের গুরুত্ব অনুধাবন করা অর্থাৎ নিজের আত্মোৎসর্গ এবং বিশ্বাসের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার। আসলে ঈদের আনন্দ কেবল নতুন ও দামী পোশাক পরিধান আর সুস্বাদু খাবার গ্রহণ এবং ঘোরাঘুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলেই চলবেনা, সমাজে বসবাসরত ও সুবিধাবঞ্চিত অসহায় মানুষদের মুখে হাসি ফোটানোও এক অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য।

ঈদের দিন যেভাবে সময় কাটাবেনঃ

ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে এর অন্যতম স্থান হলো পশু কোরবানিতে ব্যস্ত থাকা। তা ছাড়াও আধুনিক জীবনের নানা কর্মব্যস্ততার কারণে অনেকেই পরিবার থেকে দূরে অবস্থান করে থাকে। তাই এক্ষেত্রে ঈদের ছুটি মানেই এক বিশাল সময়ের সুযোগ। সুতরাং এ রকম দিনে মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন এবং পাড়া-প্রতিবেশিদের সঙ্গে হাসি-খুশি সময় কাটানো যেতে পারে। বিশেষ করে ছোটদের ঈদের সেলামি দেয়া, পরিবারের সকল সদস্যদের সাথে নিয়ে ছবি তোলা বা একসাথে গল্প করা ইত্যাদি বিষয়গুলোর মাধ্যমেও ঈদের সময় কাটানো যেতে পারে।

এ ছাড়াও আশে-পাশে বসবাসকৃত গরিব ও অসহায় মানুষদের খোঁজ-খবর করা, সম্ভব হলে তাদের নতুন পোশাক, খাদ্য-খাবার বা অর্থ দিযে সাহায্য করা। অর্থাৎ প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো তাদের মুখে হাসি ফোটানো, তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেয়া ইত্যাদি।

ঈদ যেহেতু একটি ধর্মীয় উৎসব, তাই এই দিনে মনোমালিন্য বা বিচ্ছেদের সম্পর্কগিুলোকে গড়ে তোলার চেষ্টা করা, দীর্ঘদিনের রাগারাগি, হিংসা-বিদ্বেষ ইত্যাদি কলহগুলোর সম্পর্ককে স্বাভাবিক পর্যাযে নিয়ে আসার প্রচেষ্টা করা। পুরাতন বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, প্রয়োজনে ফোন করা বা শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানো ইত্যাদি মাধ্যমগুলোও হতে পারে আপনার ঈদ উদযাপনের অংশ।

বর্তমান গ্রোবালাইজেশনের যুগে পুরো পৃথিবীটাই আপনার হাতের মুঠোয়। তাই আপনার ঈদ উদযাপনের অংশ হতে পারে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াসমূহ। এক্ষেত্রে আপনি আপনার পরিবারের সাথে আনন্দঘন মূতুর্তগুলোর ছবি শেয়ার করতে পারেন, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার স্টাটাসে শুভেচ্ছা বার্তা হিসেবে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে পারেন, বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ঘোরাঘুরি করার কোন একটি মুহুর্তের ছবি শেয়ার করতে পারেন, ঈদের দিন আপনার কেমন কাটলো তা লিখেও এসব সোশ্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট করতে পারেন ইত্যাদি। এক্ষেত্রে আপনি ফেসবুক, টুইটার, টিকটক, ইনষ্টাগ্রাম, কোওরা ইত্যাদি সব খানেই ঈদ সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে কাছে ও দূরে সকলকে একত্রিত করে অনুভূতি ভাগ করে নিতে পারেন।

ঈদের দিন সম্ভব না হলে ঈদের পরের দিন পরিবার বা বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেড়াতে পারেন। কারণ প্রকৃতি মানুষকে অনেক প্রশান্তি এনে দেয়। বিশেষ করে ব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমিপনা কাটিয়ে উঠতে এসব প্রাকৃতিক সৌনন্দ উপভোগ করা উচিত। তাই এসব ক্ষেত্রে একটি পূর্বপরিকল্পনার মাধ্যমে আপনি গ্রামের বাড়ি, সমুদ্র বা পাহাড় অথবা নিকটস্থ কোন পার্ক না নদীর ধারে ঘুরে আসতে পারেন।

এ ছাড়াও আপনার ঈদে স্মরণীয় করে রাখতে প্রয়োজনে প্রচুর ছবি তুলুন এবং তা আত্মীয়-স্বজন, পরিচিত বন্ধু-বান্ধব এবং বিভিন্ন শুভাকাঙ্খীদেরও তা শেয়ার করতে পারেন। এতে করে আপনার ঈদের সময় কাটানোর প্রতিটি মুহুর্তগুলো স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন ঃ গরিব-অসবায়দের গোপনে দান করলে যে সওয়াব পাবেন

ঈদের দিন আপনি ইচ্ছে করলে সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারেন। অর্থাৎ পশু কোরবানির পর তার বর্জ্যগুলি যাতে সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়, সে বিষয়ে খেয়াল করতে পারেন। এ ছাড়াও আপনি ঈদের আগে কিছু গাছ ক্রয় করে রেখে তা ঈদের দিনে আপনার পছন্দমত স্থানগুলোতে লাগাতে পারেন। কারণ ঈদের দিন রাস্তাঘাটে মানুষের বেশি কোলাহল ও যানবাহন থাকেনা। তাই এসব কাজগুলি খুব সহজেই করা সম্ভব হয়ে উঠে।

ঈদের দিন নিজের জন্য একটু সময় রাখুনঃ

ঈদের দিন যাই কিছু করুন না কেন, দিন শেষে নিজের জন্য একটু সময় বের করুন। আর এ সময়টাতে আপনি ইচ্ছা করলে আপনার একান্ত পছন্দের মানুষগুলোকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। আপনার পছন্দের কোন সিনেমা বা গান দেখতে পারেন। আপনি ইচ্ছে করলে আপনার প্রিয় কোন বই পড়তে পারেন। ঈদের নিভৃত সময়টাতে আপনি বিভিন্ন ইসলামী অনুষ্ঠান বা ইসলামী গজল শুনতে বা দেখতে পারেন। সর্বোপরি আপনার ঈদের দিনে নিজের কাজ ও অনুভূতিগুলি ডায়েরিতেও লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

বিভিন্ন দেশের ভাষাতে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ঃ

ঈদের দিন বিভিন্ন দেশে তাদের নিজ নিজ আঞ্চলিক ভাষায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়ে থাকে। তাই, চলুন জেনে নিই কোন দেশ কোন ভাষায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে।

চাইনিজদের ভাষার নাম ম্যান্ডারিন, তাই এই ম্যান্ডারিন ভাষায় তারা ‘ঈদ মোবারক’-কে বলে “কাই ঝাই জিয়ে কুয়াই লে’।

জাপানি ভাষায় তারা ঈদ মোবারক বলে ‘ইদো ওমেদেতো গোজাইমাসু’।

আফগানিস্তানে দুইটা ভাষা ব্যবহার করা হয়, পশতু ও দারি। সুতরাং পশু ভাষায় ঈদ মোবারক-কে বলা হয় ‘আখতার দে মুবারক শা’ এবং দারি ভাষায় ঈদ মোবারক-কে বলা হয় ঈদ-ই শামা মোবারক বাশাদ’।

তুরস্কের তুকি ভাষায় ঈদ-উল-আযহাকে বলা হয় ‘কুরবান বায়রামি’।

ইরানের ভাষা ফার্সি, তাই এই ফার্সি ভাষায় সবচেয়ে প্রচলিত জনপ্রিয় শুভেচ্ছা বাক্যটি হলো ‘ঈদ-ই শোমা মোবারক’। অর্থাৎ যার অর্থ হলো ‘আপনার ঈদ শুভ বা আনন্দময় হোক’।

ইরাকে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় বাক্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় ‘ঈদকুম মুবারক’। আর এর উত্তরে অপরজন বলে থাকেন ‘আল্লাহ ইবারেক ফিক’ বা ‘আল্লাহু ইবারেক ফিকি’।

ইন্দোনেশিয়ায় ঈদ-উল আযহাকে বলা হয় ‘হারি রায়া আইদিলআধা’।

মিয়ানমারে বর্মী ভাষায় ঈদ-উল-আযহাকে বলা হয় ‘ঈদুল আযহা’ বা ‘কুরবানি ঈদ’ হিসেবে।

মিশরের আরবি ভাষায় ঈধ-উল-আযহাকে বলে, ‘ঈদ আল-আদহা’। তবে মিশরে স্থানীয়ভাবে এই উৎসবটিকে বলা হয়ে থাকে ‘ঈদ-আল-কবির’, অর্থাৎ ‘বড় ঈদ’।

জর্ডানে ঈধ-উল-আযহাকে বলা হয়-‘ঈদ আল-আদহা’। তবে আঞ্চলিক ভাষায় একে অনেক সময় তারা ‘আল ঈদ আল-কাবীর’ বা বড় ঈদ নামেও অভিহিত করে থাকে।

পাকিস্তানের উর্দু ভাষায় বলে ‘ঈদ মোবারক’।

মালয়েশিয়ায় বলা হয় ‘সালামত হারি রায়া আইদিলআধা’।

হিন্দি ভাষায় ‘ঈদ মুবারক’ বলে।

বাংলা ভাষায় ‘ঈদ মোবারক’।

ফরাসি ভাষায় একে বলে ‘জে ভ্যু সুইত আঁ জইউস এইদ’।

অষমিয়া ভাষায় বলে ‘ঈদ মোবারক’।

আরবি ভাষায় বলে ‘ইঈদ মোবারক’।

আফ্রিকার সোমালি ভাষায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিমযে বলা হয় ‘ইদ ওয়ান ওয়ান সান’।

আবার আফ্রিকার হাউসা ভাষায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বলে, ‘বারকা দা সাল্লাহ’। তবে ঈদ-উল-আযহাকে বলে ‘বাবার সাল্লার’।

আফ্রিকায় ইউরোরুবা ভাষায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বলা হয়, ‘ঈদ-আল-কবির’ এবং এখানে ঈদ-উল-আযহাকে বলে ‘ইলেয়া’।

আফ্রিকার আরেকটি ভাষা হলো সোয়াহিলি, অর্থাৎ এই ভাষায় তারা ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে, ‘হেরি ইয়া ঈদ আল-আদহা’ বাক্যে।

ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে-শেষ কথাঃ

আসলে উপরোক্ত আলোচনায় ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে সে সব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশাকরি আপনারা, ঈদের প্রকৃত মহিমা এবং বিভিন্ন করণীয় বিষয় সম্পর্কে জেনে নিয়েছেন। মূলত ঈদ-উল-আযহা হচ্ছে ইবাদত, ত্যাগ এবং আনন্দের এক অপূর্ব মহামিলন ক্ষেত্র এবং সর্বোপরি নিজের পশুত্বকে বিসর্জনের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি। ঈদের সবচেয়ে সুন্দরতম দিক হলো ঈদ-গাহে ধনী-গরীব সকলে মিলে এক কাতারে নামাজ আদায় করা এবং সৌহার্দ্য ও ভাতৃত্বের বন্ধনে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করা। সুতরাং আজকের আর্টিকেলে ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে বিষয়ক আলোচনাটি আশাকরি আপনাদের অনেক উপকারে আসবে।

আরও পড়ুন ঃ গোসলের ফরজ কয়টি-গোসলের ফরজ কয়টি ও কি কি

অর্থাৎ ঈদ-উল-আযহার অন্যতম করণীয় দিকগুলি হলো গোসল করা, উত্তম পোশাক এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা, সদকাতুল ফিতর আদায়, ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করা, দোয়া এবং ইস্তেগফার করা, শুভেচ্ছা বিনিময়, তাকবির পাঠ, খাবার গ্রহণ এবং এতিম ও দরিদ্র মানুষকে খাওয়ানো, আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ-খবর নেয়া এবং সর্বোপরি ঈদের আনন্দ প্রকাশ করা। যাইহোক আজকের ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে বিষয়ক আলোচনায় আপনার দীর্ঘক্ষণ উপস্থিতি এবং সম্পৃক্ততার জন্য www.mithurajit.com এর পক্ষ হতে অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং সেইসঙ্গে ঈদ আপনাদের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাতৃত্ববোধ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Mithu Sarker
Mithu Sarker
আমি মিঠু সরকার, দুই বছর ধরে ডিজিটাল মার্কেটিং ও এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখে আসছি। ব্লগ পোস্ট, ওয়েব কনটেন্ট ও মার্কেটিং রাইটিংয়ে আমার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। মানসম্মত ও পাঠকবান্ধব লেখার মাধ্যমে অনলাইন সফলতা গড়াই আমার লক্ষ্য।