পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা, অর্থাৎ ১৯৮১ - ২০২৪ পর্যন্ত এর মধ্যে এ পর্যন্ত মোট ৪৪টি ছবি অস্কার পুরস্কারে বিজয়ী হয়। সুতরাং, তারই ধারাবাহিকতায় আজকে মোট ১১টি অস্কার বিজয়ী ছবির নাম, পরিচালক এবং ছবির সংক্ষিপ্ত বিবরণাদি নিম্নে বর্ণিত হলো।
ভিন্ন ভিন্ন গল্প, চিত্রনাট্য, সঙ্গীত, কসটিউম, অভিনয় গুণাবলী এবং নানা দৃশ্যপটের পটভূমিকায় নির্মিত ছবিগুলি সত্যিই একটি অনবদ্য সৃষ্টি বলেই মনে হয়, যা অনেকেরই জানাটা ভীষণ দরকার।
পেজ সূচিপত্রঃ পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা
অরডিনারী পিপল
চ্যারিয়টস অফ ফায়ার
গান্ধী (মহাত্মা গান্ধী)
টার্মস অফ এন্ডিয়ারমেন্ট
অ্যামাডিউস
আউট অফ আফ্রিকা
প্ল্যাটুন
দ্য লাষ্ট এম্পেরর
রেইন ম্যান
ড্রাইভিং মিস ডেইজি
ড্যান্সেস উইথ উলভস
শেষ কথা
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনাঃ
পৃথিবীর চলচ্চিত্রগুলি (১৯৮১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত) এর মধ্যে এ পর্যন্ত মোট ৪৪টি ছবি অস্কার পুরস্কার অর্জন করে। তারই ধারাবাহিকতায় এবং সময় সংক্ষিপ্ততার কারণে মোট ৪৪টি ছবির মধ্যে আজকে ১১টি অস্কার বিজয়ী ছবির নাম, পরিচালক এবং ছবির সংক্ষিপ্ত বিবরণাদি নিম্নে বর্ণিত হলো। এটি একটি চলমান তথ্য হিসেবে পরবর্তী আর্টিকেলে তা বর্ণিত হবে। অর্থাৎ ১১টি ছবি হলো-অরডিনারী পিপল (১৯৮১), চ্যারিয়টস অফ ফায়ার (১৯৮২), গান্ধী (১৯৮৩),টার্মস অফ এন্ডিয়ারমেন্ট (১৯৮৪), অ্যামাডিউস (১৯৮৫), আ্উট অফ আফ্রিকা (১৯৮৬), প্ল্যাটুন (১৯৮৭), দ্য লাষ্ট এম্পেরর (১৯৮৮), রেইন ম্যান (১৯৮৯). ড্রাইভিং মিস ডেইজি (১৯৯০), ড্যান্সেস উইথ উলভস (১৯৯১)
অরডিনারী পিপলঃ
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা এর মধ্যে ১৯৮১ সালে অরডিনারী পিপল একটি অস্কার জয়ী চলচ্চিত্র হিসেবে পরিগণিত হয়। যদিও ছবিটি ১৯৬০ সালে মুক্তি পেয়েছিল, কিন্তু এই ছবিটি সেরা ছবির স্থান দখল করে ১৯৮১ সালে। অর্থাৎ ১৯৮১ সালেই এই ছবিটি ৫৩ তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডে ৬টি মনোনয়ন পেয়ে ৪টি অস্কার জেতে। যদিও পরিচালক রবার্ট রেডফোর্ড এর এটি প্রথম চলচ্চিত্র ছিল তারপরেও এটি দর্শক এবং বিচারকদের হৃদয় জয় করে অস্কার বিজয়ী ঘোষিত হয়।
আরও পড়ুনঃ মহাকাশ থেকে পৃথিবীর যে স্থানগুলি দেখা যায়
এই ছবিটির বিষয়বস্তু এমন এক পর্যায়ের যা মানুষের আবেগ, ক্ষতি সর্বোপরি পারিবারিক সম্পর্কের গভীরতাকে তুলে ধরেছিল। অর্থাৎ একটি পরিবার কীভাবে নিজ সন্তানের মৃত্যুর পর নিজেদের আবেগ আয়ত্ত এবং সেইসঙ্গে সম্পর্কের যে জটিলতা সেটা কিভাবে মোকাবিলা করে মূলত এই গল্পের উপরই নির্মিত হয় অরডিনারী পিপল ছবিটি।
চ্যারিয়টস অফ ফায়ারঃ
মূলত ‘আগুনের রথ’ বা চ্যারিয়টস অফ ফায়ার ছবিটি একটি ব্রিটিশ চলচ্চিত্র, যা ১৯২৪ সালের অলিম্পিকে অংশ নেওয়া দুইজন ব্রিটিশ দৌড়বিদের সত্য কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত অসাধারণ একটি ছবি। এই ছবিটি ১৯৮২ সালে ৪টি ক্যাটাগরিতে অস্কার জিতেছিল। ছবিটির মূল আকর্ষণ ছিল ভ্যানজেলিসের অবিস্মরণীয় মনোমুগ্ধকর সঙ্গীত। আসলে অধ্যবসায় ও বিশ্বাসের এক অনুপ্রেরণামূলক গল্প হচ্ছে চ্যারিয়টস অফ ফায়ার বা আগুনের রথ।
পরিচালক হিউ হাডসন মূলত এই ছবির মূল বিষয়বস্তু সাজিয়েছিলেন, দুই ভিন্ন ধর্মীয় এবং সামাজিক পটভূমির প্রেক্ষাপটে দুইজন দৌড়বিদের গল্প নিয়ে। অর্থাৎ একজন দৌড়ান ঈশ্বরের মহিমার জন্য আর অপরজন দৌড়ান সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। তৎকালীন সময়ে এটি ব্রিটিশ চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
গান্ধী (মহাত্মা গান্ধী) ঃ
এই ছবিটির পরিচালক ও প্রযোজক রিচার্ড অ্যাটেনবরো মূলত মহাত্মা গান্ধীর আত্মজীবনী, রাজনৈতিক দর্শন ও দূরদর্শিতা এবং সর্বোপরি তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতীয়দের আত্মমর্যাদা, পরাধীনতার কবল থেকে মুক্ত হওয়া এবং সমগ্র বিশ্বে একজন ব্রিটিশ না হয়েও কিভাবে নিজের বুদ্ধিমত্তা, বিচক্ষণতা, আত্মত্যাগ এবং নিজের অধিকার আদায়ের লড়াইসহ নানাবিধ বিষয়াবলী অত্যন্ত দক্ষ হাতে উপস্থাপন করেছেন। এই ছবিটি মূলত ৮টি ক্যাটাগরিতে অস্কার জিতেছিল। এ ছাড়াও এই ছবিতে সেরা পোশাক ডিজাইনে দুইজনের মধ্যে একজন ছিলেন ভারতীয় ভানু আথাইয়া। যিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে অস্কার পুরস্কার জিতে ইতিহাস তৈরি করেন। যদিও ছবিটি ১৯৫৮ সালের ৫৫তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডে ভূসিত হয় কিন্তু ১৯৮৩ সালে ছবিটি অস্কার পুরস্কারে সেলা চলচ্চিত্র হিসেবে নিজেদের জায়গা করে নেয়।
টার্মস অফ এন্ডিয়ারমেন্টঃ
টার্মস অফ এন্ডিয়ারমেন্ট ছবিটি মুক্তি লাভ করে ১৯৮৩ সালে এবং পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১৯৮৪ সালে ৫৬তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডে প্রায় ৫টি ক্যাটাগরিতে সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার পুরস্কার লাভ করে। পরিচালক জেমস এল. ব্রুকস ছবিটিকে একটি কমেডি-ড্রামা হিসেবে দর্শকের নিকট উপস্থাপন করেছিলেন। অর্থাৎ একজন মা ও মেয়ের মধ্যকার জটিল সম্পর্ক নিয়েই ছবিটির গল্প। তবে সে সময়ে এই ছবিটি বক্স অফিসেও দারুণ সাফল্য পেয়েছিল এবং মজার বিষয় হলো, দর্শক এবং মমালোচকদের কাছে তা ব্যাপকভাবে প্রশংসিতও হয়েছিল।
অ্যামাডিউসঃ
অ্যামাডিউস ছবিটি ১৯৮৫ সালে প্রায় ৮টি ক্যাটাগরিতে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড পেয়ে সেরা চলচ্চিত্র মনোনীত হয়ে অস্কার পুরস্কার লাভ করে। পরিচালক মিলোস ফরম্যান মূলত ছবিটির প্রতিপাদ্য একটি ঐতিহাসিক নাটক যা বিখ্যাত সুরকার ভোলফগ্যাং অ্যামাডেউস মোজার্ট এবং আন্তোনিও সালিয়েরি এর মধ্যে যে ঈষা এবং তার জীবনের একটি কাল্পনিক বর্ণনাই ফুটিয়ে তুলেছেন এই ছবির মাধ্যমে।
আউট অফ আফ্রিকাঃ
আ্উট অফ আফ্রিকা ছবিটি ১৯৮৬ সালে প্রায় ৭ ক্যাটাগরিতে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড পেয়ে সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার পুরস্কারে বিজয়ী ঘোষিত হয়। পরিচালক সিডনি পোল্যাক মূলত ড্যানিশে লেখিকা কারেন ব্লিক্সেন এর আত্মজীবনীমূলক বই অবলম্বনে নির্মিত হয়।
আরও পড়ুনঃ বিশ্বের এই ১০ স্থান ভ্রমণ পিপাসুদের নিকট আকর্ষণীয়
এই ছবির কাহিনী এমনটাই ছিল যে, তা বিংশ শতাব্দীর কেনিয়ার পটভূমিতে একজন ড্যানিশ ব্যারনেস ও একজন বড় শিকারীর রোমান্টিক ড্রামা যা অসাধারণ চিত্রায়ণ এবং হৃদয়গ্রাহী গল্পের জন্য বিশ্বজুড়ে সকলের নিকট সমাদৃত।
প্ল্যাটুনঃ
প্ল্যাটুন ছবিটি ১৯৮৬ সালে মুক্তি লাভ করে। এটি একটি বিখ্যাত ছবি হিসেবে প্রায় ৪টি ক্যাগাটরিতে ১৯৮৭ সালে অস্কার পুরস্কার বিজয়ী হয়। পরিচালক ও লেখক অলিভার স্টোন মূলত ভিয়েতনামে যুদ্ধ করা একজন তরুণ সৈনিকের অভিজ্ঞতাকে গল্পের আকারে রূপ দিয়ে এই ছবিটি নির্মাণ করেন। প্রকৃতপক্ষে ছবিটিতে ভিয়েতনামের যুদ্ধক্ষেত্রে সৈনিকদের জীবন-যাপন এবং তাদের মধ্যে নৈতিক দ্বন্দ্ব এবং সর্বোপরি যুদ্ধের যে ভয়াবহতা তা তুলে ধরা হয়েছে।
দ্য লাষ্ট এম্পেররঃ
ছবিটি ১৯৮৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল এবং ১৯৮৮ সালে প্রায় ৯টি ব্যাটাগরিতে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস সহ সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে ১৯৮৮ সালে অস্কার পুরস্কার জিতেছিল। পরিচালক বার্নাডো বার্তোলুচ্চি মূলত চীনের শেষ সম্রাট পুই এর শিশুকাল থেকে শুরু করে রাজত্ব, জাপানি পুতুল শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং শেষ জীবনে একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করা ইত্যাদি সমস্ত বিষয়টিই অত্যন্ত বাস্তবতার পরশে সুদক্ষ চিত্রনাট্য ও দৃশ্যপটে দর্শকের নিকট তুলে ধরা হয়েছিল। মজার বিষয় হলো, এই চলচ্চিত্রটি প্রথম পশ্চিমা চলচ্চিত্র যা বেইজিংয়ের নিষিদ্ধ নগরীতে চিত্রায়িত হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল এবং শুধুমাত্র সে কারণেই এই ছবিটির আবেদন অনেক বেড়ে গিয়েছিল।
রেইন ম্যানঃ
এই ছবিটি একটি বিখ্যাত আমেরিকান ড্রামা ফিল্ম যা, ১৯৮৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল এবং পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১৯৮৯ সালে ছবিটি ৪টি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসসহ ৬১তম অস্কার আসরে সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার পুরস্কার বিজয়ী হয়। পরিচালক ব্যারি লেভিনসন এই ছবিতে একজন স্বার্থপর গাড়ি ব্যবসায়ীর গল্প তুলে ধরেছেন। যেখানে চার্লি ব্যাবিট একজন লোভী ও স্বার্থপর ব্যক্তি, যে তার বাবার মৃত্যুর পর জানতে পারে যে, তার এক অসিস্টিক ভাই আছে, যার নাম রেমন্ড। অর্থাৎ চার্লি তার সম্পত্তির লোভে রেমন্ডকে নিয়ে একদিন একটি রোড ট্রিপে বের হয়, কিন্তু এই রোড ট্রিপে সে তার ভাইয়ের অসাধারণ ক্ষমতা এবং নিজের ভেতরের মানবিকতা আবিস্কার করে।
ড্রাইভিং মিস ডেইজিঃ
১৯৮৯ সালে ড্রাইভিং মিস ডেইজি ছবিটি মুক্তি পায়। এই ছবিটি ১৯৯০ সালে অস্কার পুরস্কার লাভ করে এবং ৪টি ক্যাটাগরিতে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস সহ সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে। মূলত ছবিটি আমেরিকান নাট্যকার আলফ্রেড উইরর লেখা একটি বিখ্যাত কালজয়ী গল্প যা পুলিৎজার পুরস্কারও লাভ করে। পরিচালক ব্রুস বেরেসফোর্ড এই ছবিতে দেধিয়েছেন বন্ধুত্ব, বার্ধক্য, বর্ণবাদ এবং আমেরিকান সিভিল রাইটস আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত একটি কমেডি ড্রামা। অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ডেইজি ওয়ার্থান নামে এক বৃদ্ধা এবং তার ড্রাইভার হোক কোলবার্নের মধ্যে গড়ে ওঠা গভীর সম্পর্ক নিয়েই এই ছবির কাহিনী আবর্তিত হয়।
ড্যান্সেস উইথ উলভসঃ
এই ছবিটি ১৯৯০ সালে মুক্তি লাভ করে। ছবিটি মাইকেল ব্লেকের ১৯৮৮ সালের প্রকাশিত একটি উপন্যাসের গল্প অবলম্বনে নির্মিত হয়। অর্থাৎ গৃহযুদ্ধের আহত সৈনিক লেফটেন্যান্ট জন ডানবার মূলত পশ্চিম সীমান্তে এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে এক পোস্টে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি ধীরে ধীরে সিউক্স উপজাতিদের সাথে মিশে যান এবং তাদের জীবনধারা ও সংস্কৃতি গ্রহণ করেন। এরই এক পর্যায়ে সিউক্স উপজাতিটি তাকে ডান্সেস উইথ উলভস নামো অভিহিত করে। মজার বিষয় হলো ছবিটি ১২টি অস্কারের জন্য মনোনীত হয়ে ৭টি ক্যাটাগরিতে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে ১৯৯১ সালে অস্কার পুরস্কার লাভ করে।
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা-শেষ কথাঃ
মূলত পৃথিবীর প্রতিটা সৃষ্টিরই একটা শ্রেষ্ঠ উপহার বা পুরস্কার থাকে, যেমন-সাহিত্যে নোবেল, আবার ফিল্ম বা সিনেমা জগতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ পুরস্কার হচ্ছে অস্কার। অর্থাৎ প্রতিটা পরিচালকের মনের গহীনে একটি ক্ষীণ আশা থাকে বা লক্ষ্য নিয়েই ছবি নির্মাণ করে থাকেন। সুতরাং তেমনই একটি ভিন্ন চিন্তাধারার প্রেক্ষাপটে আজকের আর্টিকেলে পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা করা হলো। আশা করি শ্রদ্ধেয় এবং সম্মানীত পাঠক সমাজ তা বুঝতে পেরেছেন।
আরও পড়ুনঃ কতিপয় কবিগণের রোমান্টিক কবিতাসমূহ
আসলে একটা বিষয় ভাবুন তো, আমরা সিনেমা দেখি কেন? হোক সেটা সিনেমা হলে অথবা বাসায় বসে। অযথা টাকা-পয়সা খরচ হয় এবং সেইসাথে সময়ও অনেকটা নষ্ট হয়ে যায়। আর আমরা এটাও জানি যে, স্বল্প সময়ে রঙিন দৃশ্যায়নের চরিত্রগুলি কি আমার বাস্তব জীবনে কোন প্রভাব ফেলে না কোন কাজে আসে। আসলে ভালো সিনেমার গল্প, কাহিনী, দৃশ্য, সঙ্গীত, হাসি-কান্না-দুঃখ ইত্যাদি আমাদের বাস্তব জীবনের কোন না কোন ঘটনার সাথে সম্পক্ত থাকে। যেহেতু আমি সাহিত্যিক নই, তাই সাহিত্যিকের ভাষার মতো সুন্দর ভাষাশিল্প দিয়ে লিখতে পারলাম না। তবে নিজের অভিজ্ঞতায় যেটুকু জেনেছি, তা হলো একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অন্য কোন কিছুতে ডুবে থাকা বা চিন্তামুক্ত থাকা বা কিছু শেখা, জানা ইত্যাদি। পৃথিবীতে এ পর্যন্ত মোট ৪৪টি অস্কার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আর আজকে পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা বিষয়ক আর্টিকেলে ১১টি ছবির সংক্ষিপ্ত বর্ণিত হলো। পরবর্তী আর্টিকেলে অবশ্যই উপরোক্ত টাইটেলের ক্রমিকানুযায়ী পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা বিষয়ক আর্টিকেল প্রকাশ করা হবে। তাই যদি আজকের বিষয়টি আপনার নিকট ভালো বা প্রয়োজন মনে হয়, তাহলে তা অন্যদের শেয়ার করতে পারেন। পরিশেষে আজকের পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা বিষয়ক সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় আপনার দীর্ঘক্ষণ সম্পৃক্ততা এবং উপস্থিতির কারণে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এবং সেইসঙ্গে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
......................................................................................................................চলমান পরবর্তী আর্টিকেল।

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url