পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা
অস্কার প্রাপ্ত ছবির সংক্ষেপিত বর্ণনা পাতা-২
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা, অর্থাৎ ১৯৮১ - ২০২৪ পর্যন্ত এর মধ্যে মোট ৪৪টি ছবি অস্কার পুরস্কারে বিজয়ী হয়। সুতরাং, তারই ধারাবাহিকতায় আজকে মোট ১১টি অস্কার বিজয়ী ছবির নাম, পরিচালক এবং ছবির সংক্ষিপ্ত বিবরণাদি নিম্নে বর্ণিত হলো।
ভিন্ন ভিন্ন গল্প, চিত্রনাট্য, সঙ্গীত, কসটিউম, অভিনয় গুণাবলী এবং নানা দৃশ্যপটের পটভূমিকায় নির্মিত ছবিগুলি সত্যিই একটি অনবদ্য সৃষ্টি বলেই মনে হয়, যা অনেকেরই জানাটা ভীষণ দরকার।
পেজ সূচিপত্রঃ পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা
দ্য সাইলেন্স অফ দ্য ল্যাম্ব
আনফরগিভেন
শিন্ডলার্স লিস্ট
ফরেষ্ট গাম্প
ব্রেভহার্ট
দ্য ইংলিশ পেশেন্ট
টাইটানিক
শেক্সপিয়ার ইন লাভ
আমেরিকান বিউটি
গ্ল্যাডিয়েটর
এ বিউটিফুল মাইন্ড
শেষ কথা
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনাঃ
পৃথিবীর চলচ্চিত্রগুলি (১৯৮১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত) এর মধ্যে এ পর্যন্ত মোট ৪৪টি ছবি অস্কার পুরস্কার অর্জন করে। তারই ধারাবাহিকতায় এবং সময় সংক্ষিপ্ততার কারণে মোট ৪৪টি ছবির মধ্যে আজকে ১১টি অস্কার বিজয়ী ছবির নাম, পরিচালক এবং ছবির সংক্ষিপ্ত বিবরণাদি নিম্নে বর্ণিত হলো। এটি একটি চলমান তথ্য হিসেবে পরবর্তী আর্টিকেলে তা বর্ণিত হবে।
আরও পড়ুনঃ পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা
অর্থাৎ ১১টি ছবি হলো-দ্য সাইলেন্স অফ দ্য ল্যাম্ব (১৯৯২), আনফরগিভেন (১৯৯৩), শিন্ডলার্স লিস্ট (১৯৯৪), ফরেষ্ট গাম্প (১৯৯৫), ব্রেভহার্ট (১৯৯৬), দ্য ইংলিশ পেশেন্ট (১৯৯৭), টাইটানিক (১৯৯৮), শেক্সপিয়ার ইন লাভ (১৯৯৯), আমেরিকান বিউটি (২০০০), গ্ল্যাডিয়েটর (২০০১), এ বিউটিফুল মাইন্ড (২০০২)।
দ্য সাইলেন্স অফ দ্য ল্যাম্বঃ
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনায় মূলত এই ছবিটির প্রকাশকাল ১৯৮৮ সালে হলেও তা ১৯৯১ সালে পরিচালক টমাস হ্যারিস একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক হরর উপন্যাস অবলম্বনে দ্য সাইলেন্স অফ দ্য ল্যাম্ব ছবিটি নির্মাণ করেন। ছবিটির মূল গল্প হলো-এফবিআই প্রশিক্ষণার্থী ক্লারিস স্টার্লিং বাফেলো বিল নামের এক ভয়ংকর সিরিয়াল কিলারকে ধরতে গিয়ে কারাবন্দী নরখাদক সাইক্রিয়াট্রিস্ট ডঃ হ্যানিবাল লেকটারের সাহায্য নিতে হয়, যে তার শিকারদের চামড়া ছাড়িয়ে নিয়ে থাকে। এই ছবিটি ১৯৯২ সালে পাঁচটি বিভাগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস সহ সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে ৬৪তম আসরে অস্কার পুরস্কার লাভ করে।
আনফরগিভেনঃ
পরিচালক ক্লিন্ট ইস্টউডের আনফরগিভেন ১৯৯৩ সালে ৪টি বিভাগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস সহ সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার পুরস্কার লাভ করে। মূলত এই ছবিটি অ্যালান লে মে-র উপন্যাস ‘দ্য আনফরগিভন’ অবলম্বনে নির্মিত হয়। আসলে ছবিটি প্রাচীন পশ্চিমে আদিবাসী আমেরিকানদের বিশেষ করে যাদেরকে আদিবাসী আমেরিকান রক্তের অধিকারী বলে মনে করা হতো, প্রকৃতপক্ষে তাদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের বিষয়টিই তুলে ধরে।
শিন্ডলার্স লিস্টঃ
এই ছবিটি ১৯৯৪ সালে ৬৬তম অস্কার আসরে প্রায় ৭টি বিভাগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস সহ অস্কার বিজয়ী হয়, যদিও ছবিটি ১৯৯৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল। ছটির পটভূমিকায় দেখা যায় যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান অধিকৃত পোল্যান্ডে নাৎসি বাহিনী ইহুদিদের ওপর অত্যাচার ও নির্মূল করছিল ঠিক সেই সময় শিল্ডলার যুদ্ধ থেকে ব্যক্তি লাভ করার জন্য ইহুদি শ্রমিকদের নিয়ে কারখানা শুরু করেন। কিন্তু তিনি হলোকাস্টের ভয়াবহতা দেখে ধীরে ধীরে নিজেকে পরিবর্তিত করেন এবং তার কারখানার কর্মরত ইহুদিদের জন্য একটি আশ্রয় স্থলে পরিণত করেন। বলাবাহুল্য যে, তিনি (শিল্ডলার) সে সময় অর্থাৎ যুদ্ধ শেষে প্রায় ১৩০০ জনেরও বেশি ইহুদিদের জীবন বাঁচিয়ে এক মানবিকতা এবং সাহসিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেন।
ফরেষ্ট গাম্পঃ
১৯৯৪ সালে ফরেষ্ট গাম্প চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেলেও তা ১৯৯৫ সালে ৬টি বিভাগে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস সহ ৬৭তম অস্কার আসরে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কারটি ছিনিয়ে নেয়। পরিচালক রবার্ট জেমেকিস তাঁর চিত্রনাট্যে দেখিয়েছেন, কিভাবে একজন সাধারণ মানুষ তার সরলতার কারণে এক সময়ে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে ওঠেন এবং সর্বোপরি জীবনের প্রকৃত অর্থ খুঁজে পান। অর্থাৎ ফরেষ্ট গাম্প একজন কম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন মানুষ হলেও তিনি বাতাসের মতো দৌড়াতে পারতেন, যা তাকে অনেক বাধা অতিক্রম করতে সাহায্য করতো। বিশেষ করে ১৯৬০ ও ১৯৭০ এর শেষের দিকে যে গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তগুলো, যেমন-ভিয়েতনাম যুদ্ধ, এলভিস প্রিসলির উত্থান ও ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি ইত্যাদি। ফরেষ্ট গাম্প যে কোন ভাবে এইসব ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে জড়িয়ে পড়েন। যদিও তার জীবনের নানা প্রতিকূলতা, তার প্রতিবন্ধী পা, ভালোবাসার অভাব এবং সর্বোপরি সমাজের নানা চাপ সত্বেও, তার সরলতা, সততা এবং আশাবাদ দিয়ে জীবনকে গ্রহণ করেন।
ব্রেভহার্টঃ
ব্রেভহার্ট ছবিটি ১৯৯৫ সালে মুক্তি পেয়ে তা ১৯৯৬ সালে মোট ৫টি ক্যাটাগরিতে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস সহ ৬৮তম অস্কার আসরে সেরা চলচ্চিত্র মনোনীত হওয়ায় তা অস্কার জিতেছিল। মজার বিষয় হলো, এই ছবিতে পরিচালক মেল গিবসন নিজেই প্রধান চরিত্র উইলিয়াম ওয়ালেসের এর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। মূলত ছবিটি ১৩ শতক এর শেষ এবং ১৪ শতক এর শুরুর দিকে বিশেষ করে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের মধ্যে সংঘাত, রাজা প্রথম এডওয়ার্ডের অত্যাচার এবং উইলিয়াম ওয়ালেসের বিদ্রোহকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে। এখানে উইলিয়াম ওয়ালেস তার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্কটিশ স্বাধীনতার লড়াই করার বীরত্ব, তার আত্মত্যাগ এবং অবশেষে শহীদ হওয়ার বিষয়দি পরিস্ফুটিত হয়েয়ে, যা দর্শকের মন ছুঁয়ে গেছে।
দ্য ইংলিশ পেশেন্টঃ
এই ছবিটি মূলত একটি মহাকাব্যিক ড্রামা যা, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, ক্ষতি এবং স্মৃতি নিয়ে নির্মিত। অর্থাৎ দ্য ইংলিশ পেশেন্ট ছবিটি ১৯৯৭ সালে ৬৯তম অস্কার আসরে প্রায় ৯টি ক্যাটাগরিতে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস সহ সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার বিজীয় হয়। প্রকৃতপক্ষে আলমাশি এবং ক্যাথরিনের মধ্যে একটি গভীর নিষিদ্ধ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যেটি এক বিমান দুর্ঘটনা ও মরুভূমিতে আটকে পড়া থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে তা ট্র্যাজেডির দিকে মোড় নিতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ দৈনন্দিন ব্যবহৃত কিছু ইংরেজি শব্দ আছে, যেগুলি সচরাচর ব্যবহৃত হয়ে থাকে
অর্থাৎ আলমাশি জার্মানদের সঙ্গে ম্যাপ আদান-প্রদানের মধ্যে ক্যাথরিনকে উদ্ধার করার চেষ্টা করে, আর এতে করে আলমাশির উপরে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে দগ্ধ আলমাশীকে সেবা করার জন্য নার্স (হানা) আবির্ভূত হন, যিনি একটি ভাঙা ভিলায় এই দগ্ধ রোগীকে সেবা করেন, কিন্তু রোগীর কোন নাম বা পরিচয় না জানায় তার নাম হয় ‘দ্য ইংলিশ পেশেন্ট’।
টাইটানিকঃ
পরিচালক জেমস ক্যামেরন একটি ঐতিহাসিক ঘটনার উপর এই ছবিটি নির্মাণ করেন, যা ১৯৯৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল। ঠিক পরের বছর ১৯৯৮ সালে এই টাইটানিক ছবিটি ৭০তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে মোট ১১টি পুরস্কারসহ সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার বিজয়ী হয়। যদিও অনেকেই আমরা টাইটানিক ছবিটি দেখেছি তারপরেও এর মূল বিষয় ছিল, দরিদ্র শিল্পী জ্যাক এবং অভিজাত রোজের গভীর ভালোবাসা এবং জাহাজের মর্মান্তিক পরিণতির সঙ্গে তাদেরও বিচ্ছেদ দেখানো হয়েছিল, যা ইতিহাসের অন্যতম সামুদ্রিক ট্রাজেডিকে কেন্দ্র করেই নির্মিত। মজার বিষয় হলো এই ছবিতে সমুদ্রের তলদেশে থাকা আসল টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের ফুটেজও কিন্তু ব্যবহার করা হয়েছে।
শেক্সপিয়ার ইন লাভঃ
শেক্সপীয়ার ইন লাভ ছবিটি ১৯৮৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল। পরিচালক জন ম্যাডেন তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি এই ছবিটিতে মূলত শেক্সপিয়ারের সৃষ্টিশীলতা, প্রেম এবং শিল্পকলার সংযোগ ঘটিয়ে এক মনোমুগ্ধকর ও হাস্য রসাত্মক চিত্রায়ণে রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট এর প্রেক্ষাপটকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। মূলত ম্যাডেন ১৯৯৯ সালে তাঁর ছবির জন্য ৭টি ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ডস সহ অস্কার পুরস্কার লাভ করেন। এটি একটি কাল্পনিক রোমান্টিক কমেডি, যেখানে লেখক উইলিয়াম শেক্সপিয়ার তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ লেখার েঅনুপ্রেরণা খুজে পান। অর্থাৎ তিনি ভায়োলা দে লেসেপস নামের এক অভিজাত নারীর প্রেমে পড়েন। অর্থাৎ শেক্সপিয়ার ও ভায়োলার মধ্যে গভীর প্রেম গড়ে ওঠে, কিন্তু ভায়োলা ধনী লর্ড Wessex-এর বাগদত্তা হওয়ায় তাদের সম্পর্ক এক পর্যায়ে জটিল হয়ে পড়ে, আর এই প্রেমই শেক্সপিয়ারকে ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ এর মত একটি কালজয়ী ট্র্যাজেডি লেখায় অনুপ্রাণিত করে।
আমেরিকান বিউটিঃ
আমেরিকান বিউটি ১৯৯৯ সালে মুক্তি পেলেও ছবিটি ২০০০ সালে ৭২তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে ৫টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতে সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার পুরস্কার জয় করে। এই ছবিটি পরিচালক স্যাম মেন্ডেজ এর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা সমগ্র বিশ্বে তাকে পরিচিতি এনে দেয়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এই ছবিটি একটি মনস্তাত্ত্বিক ড্রামা, যা একটি সাধারণ আমেরিকান পরিবারের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সমাজের গভীর অসঙ্গতি এবং মানুষের ভেতরের আকাঙাক্ষা ও হতাশার গল্প ফুটে ওঠে।
গ্ল্যাডিয়েটরঃ
পরিচালক রিডলি স্কট ২০০০ সালে এই মহাকাব্যিক ঐতিহাসিক চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন। গ্ল্যাডিয়েটর ছবিটি ২০০১ সালে ৭৩তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে মোট ৫টি বিভাগে শ্রেষ্ঠসহ অস্কার পুরস্কার অর্জন করে। অসাধারণ একটি ছবি, যা প্রাচীন রোমের প্রেক্ষাপটে তৈরি একটি প্রতিশোধ এবং সম্মানের গল্প। অর্থাৎ ম্যাক্সিমাস এবং কমোডাসের লড়াইয়ে সম্রাট কমোডাসের মৃত্যু হলে রোমে প্রজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ খুলে যায় এবং ম্যাক্সিমাস তার পরিবারের সাথে পরপারে মিলিত হয়।
এ বিউটিফুল মাইন্ডঃ
এ বিউটিফুল মাইন্ড ছবিটি ২০০২ সালে অনুষ্ঠিত ৭৪তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস-এ সেরা চলচ্চিত্র সহ মোট ৪টি অস্কার জিতেছিল, যদিও ছবিটি ২০০১ সালেই মুক্তি পেয়েছিল। পরিচালক রন হাওয়ার্ড সিলভিয়া নাসেরের উপন্যাস থেকে ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন, যা একজন গণিতবিদ জন ন্যাশের জীবনীর নানা বিষয়সহ নোবেল প্রাপ্তির বিষয়াদি উঠে এসেছে। অর্থাৎ জন ন্যাশ একজন অসাধারণ গাণিতিক আবিস্কারের পাশাপাশি মানসিক অসুস্থতার সাথে লড়াই, তার স্ত্রী অ্যালিসিয়ার অটল সমর্থন এবং শেষ পর্যন্ত নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তিসহ জীবনের নানা উত্থান-পতন চিত্রিত হয়েছে।
পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা-শেষ কথাঃ
মূলত পৃথিবীর প্রতিটা সৃষ্টিরই একটা শ্রেষ্ঠ উপহার বা পুরস্কার থাকে, যেমন-সাহিত্যে নোবেল, আবার ফিল্ম বা সিনেমা জগতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ পুরস্কার হচ্ছে অস্কার। অর্থাৎ প্রতিটা পরিচালকের মনের গহীনে একটি ক্ষীণ আশা থাকে বা লক্ষ্য নিয়েই ছবি নির্মাণ করে থাকেন। সুতরাং তেমনই একটি ভিন্ন চিন্তাধারার প্রেক্ষাপটে আজকের আর্টিকেলে অস্কার বিজয়ী ১১টি ছবির নাম ও সংক্ষেপিত বিষয়বস্তু বর্ণিত হয়েছে।আশা করি শ্রদ্ধেয় এবং সম্মানীত পাঠক সমাজ তা বুঝতে পেরেছেন।
আরও পড়ুনঃ পুরুষদের ত্বকের যত্নে রইল ট্রিপস
আসলে একটা বিষয় ভাবুন তো, আমরা সিনেমা দেখি কেন? হোক সেটা সিনেমা হলে অথবা বাসায় বসে। অযথা টাকা-পয়সা খরচ হয় এবং সেইসাথে সময়ও অনেকটা নষ্ট হয়ে যায়। আর আমরা এটাও জানি যে, স্বল্প সময়ে রঙিন দৃশ্যায়নের চরিত্রগুলি কি আমার বাস্তব জীবনে কোন প্রভাব ফেলে না কোন কাজে আসে। আসলে ভালো সিনেমার গল্প, কাহিনী, দৃশ্য, সঙ্গীত, হাসি-কান্না-দুঃখ ইত্যাদি আমাদের বাস্তব জীবনের কোন না কোন ঘটনার সাথে সম্পক্ত থাকে। যেহেতু আমি সাহিত্যিক নই, তাই সাহিত্যিকের ভাষার মতো সুন্দর ভাষাশিল্প দিয়ে লিখতে পারলাম না। তবে নিজের অভিজ্ঞতায় যেটুকু জেনেছি, তা হলো একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অন্য কোন কিছুতে ডুবে থাকা বা চিন্তামুক্ত থাকা বা কিছু শেখা, জানা ইত্যাদি। ১৯৮১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৪৪টি অস্কার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আর আজকে পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা বিষয়ক আর্টিকেলে ১১টি ছবির সংক্ষিপ্ত বর্ণিত হলো। পরবর্তী আর্টিকেলে অবশ্যই উপরোক্ত টাইটেলের ক্রমিকানুযায়ী পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা বিষয়ক আর্টিকেল প্রকাশ করা হবে। তাই যদি আজকের বিষয়টি আপনার নিকট ভালো বা প্রয়োজন মনে হয়, তাহলে তা অবশ্যই অন্যদের শেয়ার করতে পারেন। পরিশেষে আজকের পৃথিবীর অস্কার বিজয়ী ছবিগুলির নাম ও সংক্ষেপ বর্ণনা বিষয়ক সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় আপনার দীর্ঘক্ষণ সম্পৃক্ততা এবং উপস্থিতির কারণে আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ এবং সেইসঙ্গে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
......................................................................................................................চলমান পরবর্তী আর্টিকেল

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url