ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর

ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর সর্বোপরি ঢাকা টু বরিশাল বা বরিশাল টু ঢাকায় আসা-যাওয়া লঞ্চের বিস্তারিত তথ্য জানতে নিম্নে বর্ণিত লেখাগুলো পড়তে থাকুন।
মূলত স্বল্প খরচ, আরামদায়ক এবং দ্রুত ঢাকা হতে বরিশাল বা বরিশাল হতে ঢাকায় লঞ্চে পৌঁছানোর সুবিধার্থে নিম্নে লঞ্চের তালিকা, ভাড়া, সময়সুচী এবং দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য মোবাইল নম্বর বর্ণিত হলো, যা আপনার জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে।

সুচিপত্রঃ ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর

ঢাকা হতে বরিশাল যাওয়ার লঞ্চের তালিকাসমূহ
ঢাকা হতে বরিশাল যাওয়ার লঞ্চের সময়সূচি সমূহ
ঢাকা হতে বরিশাল যাওয়া বিভিন্ন লঞ্চের ভাড়া
ঢাকা হতে বরিশাল যাওয়ার বিভিন্ন লঞ্চের নাম এবং যোগাযোগ নম্বর
ঢাকা হতে বরিশাল যেতে কতক্ষণ সময় লাগে
ঢাকা হতে বরিশাল বিভাগের দূরত্ব কতখানি
ঢাকা এবং বরিশাল বিভাগের লঞ্চ টার্মিনাল সংলগ্ন মার্কেট সমূহ
লঞ্চে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলি জেনে রাখা প্রয়োজন
ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর-শেষ কথা

ঢাকা হতে বরিশাল যাওয়ার লঞ্চের তালিকাসমূহঃ

ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর এর ক্ষেত্রে মূলত ঢাকা থেকে বরিশাল যাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে নদীপথ। অর্থাৎ ঢাকা থেকে বরিশাল বা বরিশাল থেকে ঢাকা আসা-যাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে বিভিন্ন লঞ্চ। আর লঞ্চগুলি সাধারণত রাত্রে ছাড়ে। তাই দীর্ঘ সময়ের এই ভ্রমণে আপনি ইচ্ছে করলে শুয়ে-বসে-ঘুমিয়ে অথবা বন্ধু-বান্ধবের সাথে আড্ডা-গল্প-হৈ-হুল্লোড় বা মজা করেও সময় কাটাতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ রাজশাহী টু ঢাকা বাস ভাড়া, ছাড়ার সময় ও যোগাযোগ

এইসব লঞ্চগুলোতে আপনি শুধুমাত্র ঢাকা থেকেই যে বরিশাল যাবেন তা নয়, আপনি ইচ্ছে করলে কুয়াকাটাও যেতে পারেন। তবে নদীপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অবশ্যই বিভিন্ন লঞ্চের তথ্যগুলি অগ্রিম জানাটাও একটি অন্যতম প্রধান কাজ। তাই নিম্নে বিভিন্ন ক্যাটাগরী লঞ্চের তালিকা প্রদত্ত হলো, যা আপনার নদীপথ ভ্রমণে অত্যন্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেঃ

ঢাকা হতে বরিশাল যাওয়ার লঞ্চের সময়সূচি সমূহঃ

আসলে ঢাকা থেকে বরিশাল যাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন লঞ্চের সময়সূচি জানা না থাকলে নানা ধরণের সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে। অর্থাৎ আপনি যদি লঞ্চের সময়সূচি জেনে থাকেন, তাহলে নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যে আপনি অনায়াসে রওয়ানা হতে পারবেন। সাধারণত আমরা যেমন বলি-ট্রেন ফেল করা, এক্ষেত্রে বিষয়টি একই। তাই লঞ্চে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে এর সময়সূচি বা কখন ছাড়ে, কোথা থেকে ছাড়ে ইত্যাদি অনেক ধরণের তথ্য আছে যেগুলো অগ্রিম জেনে রাখা ভালো, তাতে নিশ্চিন্তে গন্তব্যস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয়। নিম্নে লঞ্চের সময়সূচি প্রদত্ত হলোঃ

ঢাকা হতে বরিশাল যাওয়া বিভিন্ন লঞ্চের ভাড়াঃ

কোন একটা স্থান বা জায়গা থেকে অন্য কোন জায়গায় যেতে হলে যানবাহনের ভাড়া বা খরচ জেনে রাখা ভালো। এক্ষেত্রে আপনি একটি দীর্ঘ সময়ের যাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন বা করতে যাচ্ছেন, তাহলে আপনার প্রথমেই তার যাতায়াত ভাড়া সম্বন্ধে জেনে রাখা উচিত। অর্থাৎ সঠিক তথ্য জানা থাকলে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। মূলত ঢাকা-বরিশাল বা বরিশাল-ঢাকা যাওয়ার লঞ্চের ভাড়া আসনের ধরণ বা শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে। তবে সময়, পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অভস্থার উপরে অনেক সময় ভাড়া পরিবর্তিত হয়ে থাকে। নিম্নে আসনের ধরণ বা শ্রেণি অনুযায়ী লঞ্চের ভাড়া প্রদত্ত হলোঃ

ঢাকা হতে বরিশাল যাওয়ার বিভিন্ন লঞ্চের নাম এবং যোগাযোগ নম্বরঃ

আপনি যদি ঢাকা-বরিশাল বা বরিশাল-ঢাকায় যাত্রার জন্য লঞ্চে ভ্রমণ করতে চান, তাহলে আপনি ইচ্ছে করলে অগ্রিম টিকিট কেটে রাখতে পারেন। আর তাছাড়াও প্রযুক্তিগত বিশ্বে দুনিয়াটা হচ্ছে হাতের মুঠোয়, তাই আপনার যদি সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য বা কোন কিছু বিষয়ে জানতে হয়, তাহলে যোগাযোগ হিসেবে মোবাইল নম্বরটি থাকলে কাজগুলো অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। সুতরাং এতদউদ্দেশ্যেই নিম্নে বিভিন্ন লঞ্চের যোগাযোগ/মোবাইল নম্বর প্রদত্ত হলোঃ

ঢাকা হতে বরিশাল যেতে কতক্ষণ সময় লাগেঃ

সাধারণত বিশেষ করে যারা নিয়মিত এই রুটে যাতায়াত করে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে বিষয়গুলি অত্যন্ত স্বাভাবিক, কিন্তু যারা নতুন তাদের কৌতুহল, উদ্দীপনার জন্য মোটামুটি ভাবে বলা যায়, ঢাকা হতে বরিশাল যেতে মোটামুটি ৭ থেকে ৮ ঘন্টা সময় লাগে। আবার বিশেষ সময়ে তা ৮ থেকে ১০ ঘন্টাও সময় লেগে যেতে পারে। যেমন শীতকালে নদী-নালার পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারণে নদীর উপরিভাগের অর্থাৎ পানির পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে তখন দূরত্ব কমে যায়। তবে সম্প্রতি ওয়াটারবাস চালু করা হয়েছে, যাতে আপনি একটু বেশি খরচ করে মোটামুটি ৫ থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে ঢাকা হতে বরিশাল পৌঁছিয়ে যেতে পারেন।

ঢাকা হতে বরিশাল বিভাগের দূরত্ব কতখানিঃ

সাধারণত যারা নিয়মিত যাতায়াত করে থাকেন, তারা নিশ্চয়ই ঢাকা থেকে বরিশাল নদীপথের দূরত্ব জেনে থাকবেন। তবে যারা নতুন বা অনেকেরই জানার ইচ্ছা/আগ্রহ থাকে এর দূরত্ব সম্পর্কে। মূলত ঢাকা থেকে বরিশালের নদীপথের দূরত্ব প্রায ১৭৮ কিলোমিটার। তবে জেনে রাখা ভালো যে, এই দূরত্ব মৌসুম অনুযায়ী কম-বেশী হয়ে থাকে। বিশেষ করে বর্ষাকালে নদীর উপরিভাগের পরিমাণ/আয়তন বেড়ে যায়, আবার শীতকালে তা অনেকটা কমেও যায়।

ঢাকা এবং বরিশাল বিভাগের লঞ্চ টার্মিনাল সংলগ্ন মার্কেট সমূহঃ

সাধারণত ঢাকা হতে বরিশাল যাওয়া-আসার যে লঞ্চ টার্মিনালগুলো রয়েছে, তার আশেপাশে অনেক বিখ্যাত স্থান, সুবিশাল মার্কেটসহ অনেক স্থাপনা রয়েছে। অর্থাৎ ঢাকার লঞ্চ টার্মিনালটি সদরঘাটে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। আর সদরঘাটের আশে-পাশের এলাকাসমূহ পুরান ঢাকা নামেই সমধিক পরিচিত। ফলে এর কাছাকাছি রয়েছে বিখ্যাত স্থানসমূহ, যেমন-আহসান মঞ্জিল, বাংলা বাজার ইত্যাদি। তবে আপনি যখনই ঢাকা বরিশাল লঞ্চ টার্মিনালে যাবেন, তখনই দেখতে পাবেন, কি সুবিশাল ও আলো ঝলমলে লঞ্চগুলো সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। এক্ষেত্রে আপনি ইচ্ছে করলেই যে টার্মিনালে ঢুকে যেতে পারবেন, এমনটি নয়। কারণ লঞ্চ টার্মিনালে ঢুকতে হলে আপনাকে সদরঘাটের নদীবন্দর গেট থেকে ১০/- (দশ) টাকা দিয়ে টিকিট কেটে তারপরেই টার্মিনালে ঢুকতে হবে। জেনে রাখা ভালো যে, সদরঘাট নদীবন্দর হতে প্রতিদিন প্রায় ৪৫টি নিয়মিত লঞ্চগুলি চলাচল করে থাকে।

আরও পড়ুনঃ রাজশাহী থেকে ছেড়ে যাওয়া বিআরটিসি গাড়ির ভাড়া ও সময়সূচী

ঠিক একইভাবে বরিশাল হতে ঢাকা আসার ক্ষেত্রেও বরিশাল শহরের বান্ধ রোডের কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত একটি লঞ্চ টার্মিনাল রয়েছে। একইরকমভাবে এই টার্মিনালটিও সুবিশাল ও আলো ঝলমলে এবং সারিবদ্ধভাবে টার্মিনালের ঘাটে লঞ্চগুলো দাঁড়িয়ে আছে। অর্থাৎ বরিশাল লঞ্চ টার্মিনালের আশে-পাশে অবস্থিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট রয়েছে, যেমন-চকবাজার, মহসিন মার্কেট, বরিশাল জাদুঘর, জেলা পরিষদ এবং নগর ভবন ইত্যাদি। এই টার্মিনালে প্রবেশ করতে গেলেও আপনাকে ১০/- (দশ) টাকা দিয়ে টিকিট কেটেই টার্মিনালে ঢুকতে হবে।

লঞ্চে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলি জেনে রাখা প্রয়োজনঃ

সাধারণত লঞ্চে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখা অত্যাবশ্যক। অর্থাৎ প্রতিটা লঞ্চেরই কিছু সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে। তবে গ্রীনলাইন-৩ এর ক্ষেত্রে কিছু সুযোগ-সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য প্রযোজ্য হয়না। কারণ গ্রীনলাইন ছাড়া প্রতিটি লঞ্চই কিন্তু ৮.৩০ মিঃ থেকে ৯:০০ টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঘাট ত্যাগ করে থাকে এবং পরের দিন ভোর ৫টা বা ৭টার মধ্যে অন্য ঘাটে পৌঁছিয়ে থাকে। সুতরাং লঞ্চে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অবশ্যই রাত্রি ৮টার মধ্যেই টার্মিনালে বা ঘাটে উপস্থিত থাকা উচিত। এ ছাড়াও প্রতিটি লঞ্চেরই রাত্রে থাকার সু-ব্যবস্থা রয়েছে, যেমন-সাধারণ কেবিনসহ বিভিন্ন লাক্সারিয়াস ও ভিআইপি কেবিন। এসব উন্নত কেবিনগুলোতে প্রয়োজনীয় সবকিছুই সু-সজ্জিত রয়েছে। আর কেউ যদি কেউ যদি লঞ্চের ডেকে ঘুমাতে চাই, তাহলে বিছানাপত্র এবং সাথে একটি পাতলা চাদর নিজেদেরই বহন করতে হবে। এসব লঞ্চগুলোর মধ্যে খাবার-দাবারের জন্য হোটেল রয়েছে, যেখানে ভাত, মাছ, মাংস থেকে শুরু করে নানাপ্রকার খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যায়। আবার কারো যদি ইচ্ছে করে তাহলে সকালের নাস্তাটাও লঞ্চে সেরে নিতে পারে। তবে সদ্য চালু হওয়া প্রায় প্রতিটা লঞ্চেই খাবার পানির সু-ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিটা কেবিন ও ডেকগুলোতে পর্যাপ্ত টয়লেট সুবিধাসহ বেসিন রয়েছে, যাতে করে যাত্রীদের কোনপ্রকার অসুবিধায় পড়তে না হয়। এ ছাড়াও ডেকে এবং কেবিনে একটি ভ্যারাইটিজ দোকান রয়েছে, যেখানে আপনি চা-কফি, হালকা স্ন্যাকস, টিস্যু, কোমল পানীয় ইত্যাদি নানা ধরণের সুবিধাদি পেতে পারেন। অনেকেই এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা যাওয়ার লক্ষ্যে পরিবার-পরিজনদের জন্য কাঁচা মাছ, মাংস ইত্যাদি নিয়ে গিয়ে থাকে। সাধারণত দীর্ঘ সময় বা ৮-১০ ঘন্টার ভ্রমণে এসব খাদ্যগুলি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এরকম ক্ষেত্রগুলোতে আপনি নির্দিষ্ট কিছু চার্জ প্রদান করে আপনার দ্রব্যগুলি রেফ্রিজারেটরে রাখতে পারেন। এককথায় একজন যাত্রীর নানা সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে বিভিন্ন ধরণের ব্যবস্থা এসব লঞ্চগুলোতে রাখা হয়েছে, তবে থাকা-খাওয়া ইত্যাদির জন্য নির্দিষ্ট চার্জের বিনিময়েই এসব সুবিধাদি গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর-শেষ কথাঃ

আসলে ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে। তবে যারা সড়কপথে বা রেলপথে যাত্রা করে থাকেন, তাদের জন্য নদীপথে যাত্রা সত্যিই একটি অভাবনীয়, অবিস্মরণীয় এবং স্মৃতিবহুল হয়ে ওঠে। একটা সময় ছিল যখন রাজশাহী হতে ঢাকা যেতে হলে ফেরী পারাপার করতে হতো। সভ্যতার উৎকর্ষতায় এখন তা আর হয়না। আর যারা ভ্রমণ পিপাসু তাদের জন্য লঞ্চ ভ্রমণ সত্যিই একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা বিষয়। কেননা, লঞ্চে বসে প্রকৃতি, অনেক সময় বন্য বিভিন্ন প্রাণীও খুব অনায়াসে দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ ঘন ঘন প্রস্রাব কেন হয়? এটা কি কোন অসুখের লক্ষণ?

যাইহোক, আজকের ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর বিষয়ে আপনারা ইতিমধ্যেই জেনে গেছেন, লঞ্চে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। তাই আজকের ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর বিষয়ক আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লাগা বা সামান্য উপকারে আসলে অবশ্যই তা অন্যদের শেয়ার করতে ভুলবেন না। পরিশেষে এতো দীর্ঘ সময় ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর বিষয়ক আলোচনায় আপনার উপস্থিতি ও অংশগ্রহণের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Mithu Sarker
Mithu Sarker
আমি মিঠু সরকার, দুই বছর ধরে ডিজিটাল মার্কেটিং ও এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখে আসছি। ব্লগ পোস্ট, ওয়েব কনটেন্ট ও মার্কেটিং রাইটিংয়ে আমার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। মানসম্মত ও পাঠকবান্ধব লেখার মাধ্যমে অনলাইন সফলতা গড়াই আমার লক্ষ্য।