রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো
রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো, তা জানতে অবশ্যই আজকের লেখাগুলো আপনাকে পড়তে হবে।
বর্তমানে রাজশাহী শহরে অত্যন্ত ভালো ও উন্নত মানের সুযোগ-সুবিধাসহ বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। আর এই সমস্ত আবাসিক হোটেলগুলোর খরচ তুলনামূলকভাবে একটু বেশী হলেও তা আরামদায়ক, নিরাপদ, সুন্দর পরিবেশ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের দিক দিয়ে পুষিয়ে নেয়া যায়।
সূচিপত্রঃ রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো
টপ ক্লাস লাক্সারিয়াস আবাসিক হোটেলের তালিকাহোটেলের ভাড়া ও অন্যান্য খরচাদি
ভালো মানের আধুনিক ও বাজেট বান্ধব আবাসিক হোটেলের তালিকা
হোটেলের ভাড়া এবং আনুষঙ্গিক তথ্যাদি
খরচ সাশ্রয়ী কিন্তু ভালো মানের আবাসিক হোটেলসমূহের তালিকা
বেড প্রতি হোটেলের ভাড়া ও অন্যান্য খরচাদি
স্বল্প খরচে থাকার মত আবাসিক হোটেলের তালিকা
হোটেলের ভাড়া ও অন্যান্য সুবিধাদি
রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো-শেষ কথা
টপ ক্লাস লাক্সারিয়াস আবাসিক হোটেলের তালিকাঃ
রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো বলতে এক সময় রাজশাহীতে হাতে গোনা কয়েকটি আবাসিক হোটেল ছিল। এরপরে আবাসিক হোটেলের সংখ্যা বাড়লেও থ্রি স্টার বা ফোর স্টার টাইপের কোন আবাসিক হোটেল ছিল না। শুধুমাত্র এই কারণে কিন্তু রাজশাহী স্টেডিয়াম বা তেরখাদিয়া স্টেডিয়ামের মতো সুবিশাল স্টেডিয়াম থাকা সত্বেও কোন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হতো না।
আরও পড়ুনঃ ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া
যাইহোক সময়ের আবর্তে তা পরিবর্তন হয়েছে। তবে বর্তমানে এখন রাজশাহী বেশ কয়েকটি থ্রি-স্টার বা ফোর স্টার টাইপের আবাসিক হোটেল রয়েছে। আর এই সমস্ত আবাসিক হোটেলের প্রতিদিনের ভাড়াও সাধারণ মানুষের ক্রয়-ক্ষমতার বাইরে। সুতরাং অনুমান করা যেতেই পারে যে, আমার অবস্থান অনুযায়ী আমাকে কোন হোটেল চয়েস করতে হবে। যাইহোক, নিম্নোক্ত ছকে হোটেলের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর বর্ণিত হলোঃ
হোটেলের ভাড়া ও অন্যান্য খরচাদিঃ
সাধারণত থ্রি স্টার বা ফোর স্টার হোটেলগুলোতে হোটেল ভাড়া বা সীট ভাড়ার মধ্যে আনুষাঙ্গিক অন্যান্য সুবিধাদি অন্তর্ভূক্ত করা থাকে। অর্থাৎ যেহেতু কষ্টলি তাই এসব হোটেলগুলোতে একটি প্যাকেজ সিস্টেম থাকে। এক্ষেত্রে আপনার চয়েসের উপর অর্থাৎ কি ধরণের রুম আপনি থাকার জন্য নির্বাচন করছেন, অনেকটা তার উপর নির্ভর করবে আপনার ফ্যাসিলিটি কেমন হবে। সুতরাং নিম্নে এমন কিছু আবাসিক হোটেলের নাম এবং ভাড়া উল্লেখ করা হলোঃ
বি.দ্র.: হোটেলে উঠার সময় অবশ্যই রুম ভাড়া আপডেট জেনে নিবেন।
ভালো মানের আধুনিক ও বাজেট বান্ধব আবাসিক হোটেলের তালিকাঃ
রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো হিসেবে বর্তমানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভূক্ত এবং বাজেট বান্ধব বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রাজশাহীতে রয়েছে। এসব হোটেলগুলোতে সিঙ্গেল, ডাবল, কাপল, ফ্যামেলি ইত্যাদি বিভিন্ন নামে কেবিন ও রুম রয়েছে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কোনটা দরকার তার উপর নির্ভর করবে প্রতিদিনের ভাড়া। তবে এসব হোটেলগুলো পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, মনোরম পরিবেশ এবং নিরাপদ। একটা বিষয়ে একটু খেয়াল রাখবেন, সাধারণত আবাসিক হোটেল নির্বাচন করার আগে অবশ্যই আপনার সামর্থ্য পরিমাপ করুন এবং তারপর হোটেল চয়েস করুন। আর তা না হলে অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। সুতরাং নিম্নে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ বেশ কিছু হোটেলের তালিকা প্রদত্ত হলোঃ
হোটেলের ভাড়া এবং আনুষঙ্গিক তথ্যাদিঃ
সাধারণত হোটেল চয়েস করার ক্ষেত্রে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে হোটেল ভাড়া বা সীট ভাড়া। সেজন্য যে কোন আবাসিক হোটেল ভালো লেগে গেলেই যে উঠতে হবে, তা কিন্তু নয়। বরঞ্চ আপনি আগে ভাড়া বা সীট ভাড়া জিজ্ঞেস করে নিয়ে তারপরে উঠবেন। কারণ আপনার প্রতিদিনের ভাড়া প্রদানের নিমিত্তেই সেই হোটেল থেকে আপনি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাদি পেয়ে থাকবেন। অনেক সময় হোটেল ভাড়ার উপর নির্ভর করেই অনেকে বিভিন্ন হোটেল খোঁজ করে থাকেন। নিম্নে বেশ কিছু উন্নত ও আধুনিক মানসম্পন্ন আবাসিক হোটেলের ভাড়া ও অন্যান্য তথ্যাদি প্রদত্ত হলোঃ
বি.দ্র.: হোটেলে উঠার সময় অবশ্যই রুম ভাড়া আপডেট জেনে নিবেন।
খরচ সাশ্রয়ী কিন্তু ভালো মানের আবাসিক হোটেলসমূহের তালিকাঃ
রাজশাহী শহরে বেশ কিছু খরচ সাশ্রয়ী এবং ভালো মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এসব হোটেলগুলো অধিকাংশই এসি/নন-এসি, সিঙ্গেল, ডাবল, ফ্যামেলি রুম ইত্যাদি। মূলত হোটেলগুলোর অধিকাংশই ওয়াইফাই ফ্রি, কিছু কিছু হোটেলে সকালে রুমের সাথে নাস্তা ফ্রি, জামা-কাপড় বা অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখার জন্য আসবাবপত্র, এলইডি টিভি, সুন্দর ওয়াশরুম, ঠান্ডা ও গরম পানির ব্যবস্থাসহ নানা সুবিধাদি প্রদান করে থাকে।
আরও পড়ুনঃ রাজশাহী টু ঢাকা বাস ভাড়া, ছাড়ার সময় ও যোগাযোগ
আবার এসব আবাসিক হোটেলগুলোর বেশকিছুতে রয়েছে মিটিং রুম, কনফারেন্স রুম এবং নিচে নানা ধরণের দোকানপাট ও মার্কেটসমূহ। অনেক আবাসিক হোটেলেই নাস্তার ব্যবস্থা রয়েছে। মোটকথা একজন কাস্টমারের প্রয়োজনীয় সবগুলো বিষয় চিন্তা করেই এসব হোটেলগুলো পরিচালিত হয়ে থাকে। সুতরাং নিম্নে এমন কিছু হোটেলের তালিকা প্রদত্ত হলো, যা আপনার বাজেটের মধ্যে হলেও হতে পারে।
বেড প্রতি হোটেলের ভাড়া ও অন্যান্য খরচাদিঃ
যদিও উপরোক্ত আলোচনায় হোটেল বা সীট ভাড়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হযেছে। তারপরেও বাংলা ভাষায় একটি প্রবাদ আছে, যা অনেকেই জানেন, ‘যত গুড় ততো মিষ্টি’। অর্থাৎ আবাসিক হোটেলগুলোতে থাকতে গেলে সর্বপ্রথম আপনার বাজেটের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। কারণ আপনি বাস থেকে অথবা ট্রেনযোগে রাজশাহী পৌঁছালেন। এরপর অটো/রিক্সাকে বললেন, আশে-পাশে কোথায় ভালো হোটেল আছে, সেখানে যেতে। রিক্সাওয়ালা আপনাকে এমন একটি হোটেলে নিয়ে গেলো, যেটি হয় আপনার পছন্দ হলো না অথবা আপনার বাজেটের মধ্যে সংকলিত হলো না। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে আগে ভাগেই এরকম ওয়েবসাইটগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তবেই আবাসিক হোটেল নির্বাচন করবেন। তাই নিম্নে খরচ সাশ্রয়ী ও বেশ কিছু ভালো মানের আবাসিক হোটেলের সীট/রুম ভাড়া প্রদত্ত হলোঃ
বি.দ্র.: হোটেলে উঠার সময় অবশ্যই রুম ভাড়া আপডেট জেনে নিবেন।
স্বল্প খরচে থাকার মত আবাসিক হোটেলের তালিকাঃ
এই ধরণের আবাসিক হোটেলগুলোতে খুব কম খরচে থাকা যায়। তবে এইসব হোটেলগুলোতেও এসি/নন-এসি উভয়েরই ব্যবস্থা রয়েছে, যা আপনার পছন্দ অনুযায়ী নির্ধারণ হতে পারে। মনোরম এবং ছিমছাম পরিবেশে এসব হোটেল সিঙ্গেল, ডাবল উভয় ধরণের রুমই পাওয়া যায়। আপনি ইচ্ছে করলে হোটেল বয়কে দিয়ে নাস্তা আনিয়ে নিতে পারেন, আবার আপনার সুবিধামত সময়ে গিয়েও খাবারের পর্ব শেষ করতে পারেন। বর্তমানে অধিকাংশ হোটেলগুলোতে জেনারেটরের ব্যবস্থা রয়েছে। ১টি ফ্যান, ১টি বেড, ১টি লাইট এবং সাথে ১টি টয়লেট। তবে কিছু কিছু হোটেলে অবশ্য বসার জন্য একটি টেবিল ও চেয়ার থাকে, আবার কোন কোন হোটেলে কাপড় রাখার জন্যও একটি আলমারী থাকে। মোট কথা, যখন আপনি কোন হোটেলে রাত্রিযাপনের চিন্তা করবেন, ঠিক তার আগে এই ধরণের ওয়েবসাইটগুলো হতে হোটেলটির তথ্য জেনে নিতে পারেন। কারণ এতে করে আপনার একটি পূর্বপরিকল্পনা তৈরি করতে সুবিধা হবে। তাই, চলুন জেনে নেয়া যাক স্বল্প খরচে থাকার মতো আবাসিক হোটেলসমূহের তালিকা।
হোটেলের ভাড়া ও অন্যান্য সুবিধাদিঃ
রাজশাহী শহরে স্বল্প খরচে থাকার মত আবাসিক হোটেলগুলোর ভাড়া সাধারণত ৪০০/- টাকা থেকে শুরু হয়ে তা ১,৮০০/- টাকা বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারও বেশী হয়ে থাকে। আসলে আবাসিক হোটেলগুলোতে থাকার জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন দেখা দেয়, আপনি কি ধরণের রুম খুঁজছেন। আর সে অনুযায়ী তার ভাড়া নির্ধারিত হয়ে থাকে। সাধারণত এসব হোটেলগুলোতে আপনি যে কোন সময়ে হোটেল বয়কে ডাকলেই পাবেন, তা ছাড়াও রয়েছে হোটেল ম্যানেজার। অর্থাৎ আপনি যদি একটু চালাক প্রকৃতির হয়ে থাকেন, তাহলে অগ্রিম কিছু বখশিশ হোটেল বয়কে দিয়ে বাড়তি সুবিধা আদায় করতে পারেন। যাইহোক, নিম্নোক্ত ছকে এসব হোটেলগুলোর নাম ও ভাড়ার পরিমাণ প্রদত্ত হলোঃ
রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো-শেষ কথাঃ
রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো বলতে আসলে ভালোর কোনো শেষ নেই। বিলাসবহুল, আরামদায়ক, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ অতি উন্নত জীবনযাত্রা পরিচালনার লক্ষ্যে আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কি ধরণের আবাসিক হোটেল খুঁজছেন। বর্তমানে রাজশাহী শহরে অনেক হোটেল রয়েছে। আর ভিন্ন ভিন্ন হোটেলগুলিতেও কিন্তু বিভিন্ন ধরণের সেবা প্রদান করে থাকে। তাই রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনি হালকা সুবিধাদিসহ কম খরচেরও বিভিন্ন হোটেল রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ প্রতিদিন একটি পেয়ারা খেলে মিলবে যেসব উপকার
যাইহোক আজকের রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো বিষয়ক আর্টিকেলে আপনারা রাজশাহীতে অবস্থিত বিভিন্ন আবাসিক হোটেল সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। যদি আজকের বিষয়গুলি আপনার নিকট গ্রহণযোগ্য বা তথ্যবহুল মনে হয়, তাহলে অবশ্যই তা শেয়ার করতে পারেন। এ ছাড়াও রাজশাহীতে ভালো মানের আবাসিক হোটেল কোনগুলো বিষয়ক আলোচনায় আপনার যদি কোন মন্তব্য/পরামর্শ থাকে, তাহলে অবশ্যই তা কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। সবশেষে আজকের আলোচনায় আপনার দীর্ঘক্ষণ উপস্থিতি ও অংশগ্রহণের জন্য অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।










এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url