ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া
আসলে ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া, সাপ্তাহিক বন্ধসহ অন্যান্য বিষয়ে জানতে নিচে বর্ণিত লেখাগুলো পড়ুন।
প্রকৃতপক্ষে কেউ যদি রাজশাহী থেকে সিলেট যেতে চাই, তাহলে অবশ্যই তাকে সর্বপ্রথমে ঢাকা যেতে হবে। এরপর ঢাকা হতে সিলেটগামী বিভিন্ন আন্তঃনগর এক্সপ্রেসগুলির সময়ানুযায়ী টিকিট কনফার্ম করতে হবে।
সূচিপত্রঃ ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের নম্বর ও তালিকা সমূহঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের সময়সূচি
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের আসনের ধরণ ও টিকিটের মূল্য
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনগুলির সাপ্তাহিক বন্ধ কোনদিনে
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনগুলির বিভিন্ন ষ্টপেজ ষ্টেশনগুলি
ঢাকা হতে সিলেট যাওয়ার রেলপথে দূরত্ব কত
সিলেট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেন ভ্রমণের কিছু সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ
কিভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটবেন
ট্রেনের অবস্থান যেভাবে জানা যায়
রাজশাহী থেকে সিলেট ট্রেনে কিভাবে যাওয়া যায়
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া-শেষ কথা
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের নম্বর ও তালিকা সমূহঃ
মূলত ঢাকা হতে সিলেট রুটে মোটামুটি ৪টি আন্তঃনগর ও ১টি মেইল ট্রেন চলাচল করে থাকে। সময়ের ব্যবধানে এইসব ট্রেনগুলি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের নিজ নিজ গন্তব্যস্থল ছেড়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ ঢাকা হতে বরিশাল লঞ্চের ভাড়া ও সময়সূচি এবং যোগাযোগ নম্বর
বেশী দূরত্বে যাতায়াতের জন্য যদি ট্রেনের নাম ও নম্বর জানা থাকে, তাহলে নির্দিষ্ট ট্রেনটিতে উঠতে বা খুঁজে পেতে সাধারণত কোন সমস্যা হয় না। এতদ্উদ্দেশ্যেই নিম্নবর্ণিত ছকে ট্রেনগুলির নাম ও ট্রেনের নম্বর বর্ণিত হলোঃ
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের সময়সূচিঃ
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া বিষয়ক আর্টিকেলে মূলত ঢাকা হতে সিলেটের উদ্দেশ্যে ২৪ ঘন্টায় অনেকগুলো ট্রেন যাওয়া-আসা করে থাকে। অর্থাৎ ঢাকা কমলাপুর ষ্টেশন থেকে সারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ট্রেন চলাচল করে থাকে। সুতরাং যে কোন যাত্রার ক্ষেত্রে যদি আপনি তার তালিকা, সময়সূচি, ছেড়ে যাওয়ার সময়, পৌঁছানোর সময় ইত্যাদি তথ্যগুলো যদি আগে থেকেই জেনে থাকেন, তাহলে যাত্রাটি নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত হয়ে থাকে। তারই আলোকে এবং সকলের সুবিধার্থে নিম্নোক্ত ছকের মাধ্যমে ঢাকা হতে সিলেট যাওয়ার ট্রেনগুলির তালিকা সংযুক্ত করা হলোঃ
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের আসনের ধরণ ও টিকিটের মূল্যঃ
ঢাকা হতে সিলেট যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির মধ্যে একটি হলো আসন ও টিকিট মূল্য। অর্থাৎ বিভিন্ন ধরণের শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য বিভিন্ন ধরণের আসনের ব্যবস্থা রয়েছে এসব ট্রেনগুলোতে। আর এই আসন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় টিকিটের মূল্য। তাই ঢাকা হতে সিলেট যাওয়ার প্রাক্কালে অবশ্যই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী টিকিটের মূল্য জানা কিন্তু ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং নিম্নোক্ত এসব ট্রেনগুলির নামসহ আসনের ধরণ ও ভাড়া প্রদত্ত হলোঃ
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনগুলির সাপ্তাহিক বন্ধ কোনদিনেঃ
ঢাকা হতে সিলেট রুটে মোট ৪টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে থাকে। অর্থাৎ সপ্তাহে ৬ দিনই কোন না কোন সময়ে এইসব ট্রেনগুলি ঢাকা কমলাপুর ষ্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে থাকে। ট্রেন ভ্রমণের ক্ষেত্রে এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোন ট্রেনটি সপ্তাহের কোনদিন বন্ধ থাকে সেটা জেনে রাখা। আপনি যদি তথ্যগুলো আগে জেনে না থাকেন, তাহলে অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তাই ঢাকা হতে সিলেট ভ্রমণের আগে নিম্নে বর্ণিত ছক হতে ৪টি আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিনগুলি সম্পর্কে জেনে নিন।
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনগুলির বিভিন্ন ষ্টপেজ ষ্টেশনগুলিঃ
ঢাকা হতে সিলেটগামী ট্রেনগুলি বিভিন্ন ষ্টেশনে হল্ট করে বা থামে। আর সাধারণত ট্রেন ভ্রমণে বেশী দূরত্বে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার যদি ষ্টেশনগুলির নাম বা কিছু তথ্য জানা থাকে, তাহলে তা যেমন নিজের জন্য বা অপরের জন্য সহায়ক হতে পারে। আসলে যে কোন যাত্রাকালে যদি আগাম ধারণা বা কিছু জানাশোনা থাকে, তাহলে অনেক সময় উদ্ভুত পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেয়া সম্ভব হয়। সুতরাং তারই সূত্র ধরে নিম্নোক্ত ছকে ঢাকা হতে সিলেট যাওয়ার বিভিন্ন ষ্টেশনের তালিকা প্রদত্ত হলোঃ
ঢাকা হতে সিলেটগামী পার্বত এক্সপ্রেস ট্রেনের থামার ষ্টেশন লিষ্টঃ
ঢাকা কমলাপুর
ঢাকা বিমানবন্দর
ভৈরববাজার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজমপুর
নয়াপাড়া
শায়েস্তাগঞ্জ
শ্রীমঙ্গল
ভানুগাছা
কুলাউড়া
মাইজগাঁও
সিলেট
ঢাকা হতে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের থামার ষ্টেশন লিষ্টঃ
ঢাকা কমলাপুর
ঢাকা বিমানবন্দর
আশুগঞ্জ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজমপুর
মুকুন্দপুর
হারিশপুর
মনতলা
নয়াপাড়া
সাহাজি বাজার
শায়েস্তাগঞ্জ
শ্রীমঙ্গল
ভানুগাছা
কুলাউড়া
মাইজগাঁও
সিলেট
ঢাকা হতে সিলেটগামী কালনি এক্সপ্রেস ট্রেনের থামার ষ্টেশন লিষ্টঃ
ঢাকা কমলাপুর
ঢাকা বিমানবন্দর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজমপুর
হারিশপুর
শায়েস্তাগঞ্জ
শ্রীমঙ্গল
সমসের নগর
কুলাউড়া
মাইজগাঁও
সিলেট
আরও পড়ুনঃ ঢাকা হতে কুমিল্লা চলাচলকারী ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া
ঢাকা হতে সিলেটগামী উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনের থামার ষ্টেশন লিষ্টঃ
ঢাকা কমলাপুর
ঢাকা বিমানবন্দর
নরসিংদি
ভৈরব বাজার
শায়েস্তাগঞ্জ
শ্রীমঙ্গল
ভানুগাছা
সমসের নগর
কুলাউড়া
বার্মাচল
মাইজগাঁও
সিলেট
ঢাকা হতে সিলেট যাওয়ার রেলপথে দূরত্ব কতঃ
প্রকৃতপক্ষে ঢাকা থেকে সিলেটে অনেকভাবে যাওয়া সম্ভব। যেমন-বিমানযোগে, সড়কপথে, রেলপথে ইত্যাদি। আর এক একটি যানবাহনের পরিসীমার উপর নির্ভর করে তার দূরত্ব। সুতরাং এক্ষেত্রে ঢাকা থেকে সিলেটের রেলপথের দূরত্ব হলো ৩২০ কিলোমিটার। অর্থাৎ ঢাকা থেকে সিলেটগামী ট্রেনে উঠলে আপনার মোটামুটি সিলেট পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা। কারণ এটি মূলত নির্ভর করে ট্রেন চলাচল গতি ও ষ্টেশন স্টপেজের উপর। তবে দীর্ঘ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে ট্রেনে যাতায়াতই উত্তম ও সবচেয়ে নিরাপদ মাধ্যম। আবার যদি আপনি সড়কপথে যাত্রা করে থাকেন, তাহলে উপরোক্ত দূরত্ব কিন্তু আবার বেড়ে যাবে। তবে সাধারণত ট্রেনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছু আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে যারা কম ষ্টেশনে থামে, আবার কিছু আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে, যারা বেশি ষ্টেশনে দাঁড়ায়। সুতরাং বেশী বা কম ষ্টপেজের কারণ এবং ট্রেনের গতির উপরই মূলত নির্ভর করে যে ট্রেনটি কত তাড়াতাড়ি তার নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে।
সিলেট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচিঃ
ঢাকা থেকে যেমন বিভিন্ন ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময়ে যাত্রা করে থাকে, ঠিক তেমনি সিলেট থেকেও বিভিন্ন ট্রেন বিভিন্ন সময়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে থাকে। তাই দীর্ঘ ভ্রমণের ক্ষেত্রে যদি যাওয়া বা আসার অগ্রিম সময়সূচি সম্পর্কে আপনার জানা থাকে, তাহলে সঠিক পরিকল্পনা করতে অনেক সুবিধা হয়ে থাকে। তাই নিম্নের ছকে সিলেট হতে ঢাকাগামী ট্রেনগুলির সময়সূচি প্রদত্ত হলোঃ
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেন ভ্রমণের কিছু সুবিধা ও অসুবিধাসমূহঃ
যেহেতু ঢাকা টু সিলেট ভ্রমণ একটি দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ অবস্থান, তাই সবচেয়ে নিরাপদ ও আরামদায়ক বাহন হচ্ছে ট্রেন। কেননা ট্রেন ভ্রমণে জ্যাম, ট্রাফিক সিগন্যাল, জনসমাগম সর্বোপরি কোলাহলমুক্ত ও শব্দদূষণ রোধ থেকে পরিত্রাণ পেতে গেলেও রেলপথে ভ্রমণ সবচেয়ে ভালো। ট্রেনে বসে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। সর্বোপরি ট্রেন ভ্রমণে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো ট্রেনে আপনি ইচ্ছে করলে হাঁটাচলা করতে পারবেন এবং সেইসঙ্গে খাবার কিনেও খাওয়া যায় বা বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে এসেও তা আরাম করে বসে খাওয়া যায়। টয়লেট সুবিধা, রিফ্রেশমেন্ট ইত্যাদি ব্যবস্থাও থাকে এইসব দূরপাল্লার আন্তঃনগর ট্রেনগুলিতে। কিন্তু সমস্যা বা অসুবিধা হলো দূরপাল্লার ট্রেনগুলিতে অগ্রিম টিকিট কেটে না রাখলে তা একটি বিশাল ঝামেলাই হয়ে থাকে। তাই দূরপাল্লার ট্রেনগুলিতে চেষ্টা করবেন অগ্রিম টিকিট কেটে রাখতে। এ ছাড়াও ট্রেন জার্ণিতে অসুবিধার মধ্যে আরেকটি হলো যে সব আন্তঃনগর ট্রেনগুলিতে ষ্টপেজ বেশি, সেইসব ট্রেনে যাত্রী ভিড় বেশি হয়ে থাকে। সর্বোপরি ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই নিজের লাগেজ বা মালামালগুলির প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখাটাও অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
কিভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটবেনঃ
বর্তমানে অনেকেই ষ্টেশনে এসে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট ক্রয় করে থাকে। কারণ এতে করে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এবং যাওয়া-আসার একটা বাড়তি ঝামেলা থেকে সহজেই পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এজন্য আপনার বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে আপনার একটি নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। তবে বর্তমানে অনেকেই আছেন, যারা অনলাইনে কোনদিন টিকিট কাটেননি অথবা অন্যের এ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট কেটে থাকেন। তাই এই ক্ষুদ্র পরিসরের আলোচনাটি তাদের জন্য অন্তর্ভূক্ত করা যেতেই পারে। এ জন্য প্রথমে আপনাকে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আপনার এনআইডি দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। যেখানে আপনার আইডি অনুযায়ী সমস্ত তথ্যগুলি দিতে হবে। এরপর Logon Option-এ ক্লিক করে আপনার User ID ও Password দিবেন। আপনার তথ্য যদি সঠিক হয়, তাহলে স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে From (কোথা থেকে যাবেন), To (কোথায় যাবেন), Date of Journey (অর্থাৎ কত তারিখে আপনি ভ্রমণ করতে চান) এবং Choose Class (কোন ধরণের আসন/শ্রেণীতে যাবেন) ইত্যাদি। তবে আরও বিস্তারিত বা ভালোভাবে জানতে চাইলে অবশ্যই এই অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম লিংকে ক্লিক করুন।
ট্রেনের অবস্থান যেভাবে জানা যায়ঃ
সাধারণত ট্রেনে ভ্রমণকালে অনেক সময় প্রয়োজন হতে পারে ট্রেনের অবস্থান জানা। অর্থাৎ ট্রেনটি বর্তমানে কোন ষ্টেশনে ট্রেনটি অবস্থান করছে অথবা ট্রেনটি আসতে কত বিলম্ব হতে পারে বা আমার নির্ধারিত ষ্টেশনে পৌঁছাতে কত সময় লাগতে পারে ইত্যাদি। সুতরাং এ ধরণের অবস্থায় আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন TR<space>৭০৯ বা ৭১৭ লিখে পাঠিয়ে দিন 16318 নম্বরে। এরপর ফিরতি মেসেজে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর।
রাজশাহী থেকে সিলেট ট্রেনে কিভাবে যাওয়া যায়ঃ
মূলত রাজশাহী থেকে সিলেট যাওয়ার অনেকগুলি মাধ্যম রয়েছে, যেমন-রেলপথ, সড়ক পথ, বিমান ইত্যাদি। তবে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, যদি রেলপথেই সিলেট যেতে আগ্রহী হোন, তাহলে কমলাপুর ষ্টেশন থেকে সিলেট যাওয়ার জন্য যে বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে, সেইসব ট্রেনের টিকিট অগ্রিম কেটে রাখতে হবে। আবার আপনি বাসযোগেও সিলেট যেতে পারেন, সেক্ষেত্রে রাজশাহী থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে হবে। আপনি যদি বিমানে সিলেট যেতে আগ্রহী হোন, তাহলেও আপনাকে ঢাকাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যেতে হবে। সুতরাং আপনি যে কোন মাধ্যমেই সিলেট যেতে চাইলে ঢাকায় আপনাকে অবস্থান করা লাগবেই। আসলে রাজশাহী থেকে সরাসরি সিলেটগামী কোন যানবাহন নেই। তবে সবচেয়ে নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং আরামদায়ক মাধ্যম হলো রেলপথে যাওয়া। এক্ষেত্রে আপনি যদি কালনি এক্সপ্রেস (৭৭৩) ট্রেনটিতে সিলেট যেতে চান তাহলে রাজশাহী থেকে হয় বনলতা, সিল্কসিটি অথবা মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা কমলাপুর ষ্টেশনে পৌঁছাতে হবে। অর্থাৎ কালনি এক্সপ্রেস (৭৭৩ নং) ঢাকা কমলাপুর ষ্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে দুপুর ২.৫৫ মিনিটে। আর বনলতা, সিল্কসিটি বা মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন তিনটি ঢাকা কমলাপুর ষ্টেশনে পৌঁছে থাকে সাধারণত ১১.৩৫ মিঃ, ১.১০ মিঃ ও ২.০০ মিঃ এর মধ্যে। আবার আপনি যদি সকালের ট্রেনে সিলেট যেতে চান, তাহলে রাত্রিতে আপনাকে রাজশাহী হতে ধুমকেতু এক্সপ্রেস (৭৭০ নং) ট্রেনটিতে ঢাকা পৌঁছাতে হবে, যেটি ৪.৪০ বা কিছু কম-বেশী সময়ের মধ্যে আপনাকে কমলাপুর ষ্টেশনে পৌঁছে দিবে। এরপর আপনি ফ্রেশ হয়ে কিছু হালকা নাস্তা বা স্ন্যাকস করে পার্বত এক্সপ্রেস (৭০৯ নং) ট্রেনটিতে উঠতে পারেন। যেটি ঢাকা হতে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে সকাল ৬.৩০ মিনিটে। আবার আপনি ইচ্ছে করলে বাসযোগেও রাজশাহী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে দেশ ট্র্যাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, গ্রামীণ ট্র্যাভেলস, হানিফ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, একতা এক্সপ্রেস ইত্যাদি বাসগুলো নির্ধারণ করতে পারেন।
ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া-শেষ কথাঃ
মূলত ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া বিষয়ক উপরে বর্ণিত আলোচনাগুলি আশা করি বুঝতে ও জানতে পেরেছেন। প্রকৃতপক্ষে আমরা সর্বদাই চেষ্টা করি আপনাদের নিকট সঠিক, নির্ভূল, যুক্তিযুক্ত এবং শতভাগ বাস্তবসম্মত তথ্য উপস্থাপন করতে। যাইহোক, রাজশাহী থেকে সিলেট যেতে চাইলে অথবা রাজশাহী থেকে চিটাগাং, কক্সবাজার বা দূরপাল্লার যে কোন ভ্রমণের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ঢাকা। তাই সব আগে ঢাকা থেকে কোন অঞ্চলে যাবো তার পূর্ব পরিকল্পনা করে পরবর্তীতে রাজশাহী হতে কিভাবে ঢাকা যাওয়া হবে তার পরিকল্পনা করা। অর্থাৎ ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া বিষয়ক আর্টিকেলে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে ৪টি আন্তঃনগর ট্রেন এবং ১টি মেইল ট্রেন। এইসব ট্রেনগুলির সমস্ত তথ্যাদি জানা থাকলেই শুধুমাত্র আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন।
আরও পড়ুনঃ সান্তাহার হতে রাজশাহী ট্রেনের সময়সূচি ও আসন মূল্য
যদিও বিমানে সময় কম লাগে, কিন্তু তা অত্যধিক ব্যয় সাপেক্ষ। তাই দূরপাল্লার ভ্রমণগুলোতে ট্রেনযাত্রায় সবথেকে নিরাপদ, আরামদায়ক এবং সাশ্রয়ী। অর্থাৎ সব ধরণের শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য ট্রেনযাত্রায় উপযুক্ত। সুতরাং,আজকের ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া এবং সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সহ নানা বিষয়ের তথ্যগুলি যদি আপনার নিকট ভালো বা গ্রহণযোগ্য মনে হয়, তাহলে তা অন্যদেরও শেয়ার করতে পারেন। তাই আমরা বাংলাদেশ রেলওয়ের উত্তরোত্তর সফলতা বৃদ্ধি কামনা করছি। সবশেষে আজকের ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া বিষয়ক আলোচনায় আপনার উপস্থিতি ও অংশগ্রহণের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জ্ঞাপন করছি।






এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url