মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস
মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস সম্পর্কে জানতে চাইলে নিম্নে বর্ণিত তথ্যগুলি আপনার জন্য সহায়ক হতে পারে।
বিভিন্ন ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে মেহেদি লাগানো যেন একটি উৎসবের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সুন্দর ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের মেহেদী লাগাতে চাইলে কারও না কারো শরণাপন্ন হতেই হয়। শুধুমাত্র সে কারণেই আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য একটি দিক-নির্দেশনা হতে পারে।
সূচিপত্রঃ মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস
হাতের গঠন অনুসারে মেহেদী ডিজাইন নির্বাচনকিভাবে মেহেদির রঙ গাঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী করা যায়
নতুনদের জন্য মেহেদী ডিজাইনের কৌশলসমূহ
মেহেদী শুকানোর সময় কতক্ষণ
মেহেদী ডিজাইন করার কৌশল এবং ধারণা সমূহ
ঈদ, পূজো এবং বড়দিন উপলক্ষে মেহেদী ডিজাইন
গায়ে হলুদ বা বিয়েতে মেহেদী ডিজাইন
মেহেদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতাসমূহ
মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস-শেষ কথা
হাতের গঠন অনুসারে মেহেদী ডিজাইন নির্বাচনঃ
মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস হিসেবে মেহেদীর সুন্দর ও নিখুঁত ডিজাইনের জন্য হাত নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরী। কেননা হাতের আকৃতির উপর নির্ভর করে মূলত আপনি কোন ধরণের ডিজাইন ব্যবহার করবেন। অর্থাৎ হাত যদি ছোট হয়, তাহলে খুব বেশি ঘন বা ভরাট নকশা প্রযোজ্য নয়, তবে এ ধরণের ক্ষেত্রে আপনি লম্বা ধরণের কোন ডিজাইন বা লতানো কোন ডিজাইন আঁকাতে পারেন, সেটা ভালো হয়। আবার হাত যদি বড় বা লম্বা হয়, তাহলে সেখানে বড় হাতের ভরাট তালুতে কোন গোল টিকি বা মানডালা আর্ট বা ভারী কোন জালীর কাজের নকশা তৈরি করতে পারেন, যেটা সেই হাতের জন্য মানানসই হয়ে উঠবে। অনেকের আঙুল লম্বা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে আঙুলের ওপরের অংশগুলোতে বেশি কাজ না করে নখের চারপোশে বা আঙুলের ডগা করা করেও নতুন কোন ডিজাইন করতে পারেন।
কিভাবে মেহেদির রঙ গাঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী করা যায়ঃ
মেহেদী লাগানোর আগে অবশ্যই হাত-পা সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে, যাতে মেহেদী লাগানোর স্থানে কোন তেল, লোশন বা ময়েশ্চারাইজার না থাকে। কারণ এ সমস্ত জিনিসগুলি মেহেদীর রঙ শরীরে বসতে বাধা দিয়ে থাকে। যাইহোক, মেহেদীর রঙ গাঢ় এবং দীর্ঘস্থায়ী করতে চাইলে যেসব নিয়মাবলী মানতে হবে, তা হলো-
আরও পড়ুন ঃ ঈদ-উল-আযহা যেভাবে কাটানো যেতে পারে
খেয়াল করবেন মেহেদী যখন আংশিক শুকিয়ে আসবে, ঠিক তখনই লেবুর সাথে চিনি মিশ্রণ করে তা তুলা দিয়ে ডিজাইনগুলোর ওপর আলতো করে চেপে লাগাতে হবে। এভাবে যে যে স্থানে ডিজাইন করেছেন, সে সকল স্থানেই উপরোক্ত কাজটি করতে হবে।
মনে রাখবেন, কখনোই পানি দিয়ে মেহেদী ধুয়ে ফেলবেন না। অর্থাৎ এক্ষে্ত্রে আপনি যেটা করতে পারতেন তা হলো, মেহেদী শুকনো হয়ে গেলে চামড়া দিয়ে ঘষে তুলে ফেলতে হবে।
সম্পূর্ণ মেহেদী উঠে যাওয়ার পর বিশেষ করে হাতে সরিষার তেল/অলিভ অয়েল বা ভিক্স লাগাতে হবে। কারণ এতে মেহেদীর রঙ গাঢ় হয়ে উঠে।
মেহেদীর রঙ গাঢ় করতে আরেকটি কাজ করতে পারেন, তা হলো সম্পূর্ণ হাতের মেহেদী উঠে যাওয়ার পর একটি লোহার কড়াই বা শুকনো তাওয়ায় কয়েকটি লবঙ্গ গরম করুন, যতক্ষণ না তা থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। এরপর একটি নিরাপদ দূরত্বে আপনার মেহেদী রাঙানো হাতটি লবঙ্গের ধোয়ার উপর রাখতে হবে। এতে করে আপনার মেহেদীর রঙ আরও গাঢ় হবে।
নতুনদের জন্য মেহেদী ডিজাইনের কৌশলসমূহঃ
মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস বলতে সাধারণত যারা প্রথমবার বা নতুন মেহেদী ব্যবহার করতে চাচ্ছেন এবং সেটা নিজে নিজেই দিবেন ভেবে মনঃস্থির করে ফেলেছেন, এমন ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনা জেনে রাখতে পারেন। যেমন-অনেকেই আছেন, যারা নিখুঁত কোন গোল বৃত্ত বা কোন ডট আঁকতে পারেন না। এক্ষেত্রে তারা সেই কাজটি কটন বাডের সাহায্যে অনায়াসেই করতে পারেন। অর্থাৎ সুন্দর ‘টিক্কি ডিজাইন’ বা ফোটা ফোটা কোন নকশা ডিজাইন করতে পারেন। আবার নতুনদের মধ্যে অনেক আছে, যারা মেহেদী ডিজাইনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অক্ষর বা সংখ্যা দিয়েও হাতে মেহেদী দেয়া যেতে পারে। অর্থাৎ ২ বা ৫ সংখ্যা অথবা ইংরেজীর S বা M বা U অক্ষর দিয়েও অনেক সময় ঘুরিয়ে, ফিরিয়েও চমৎকার সব লতাপাতার ডিজাইন করা যায়। আবার হাতের তালুতে বৃত্ত আঁকিয়ে তার চারপাশে পাপড়ি বা নকশা এঁকেও সুন্দর ডিজাইন করা যেতে পারে।
মেহেদী শুকানোর সময় কতক্ষণঃ
সাধারণত মেহেদী শুকানোর জন্য অন্ততপক্ষে 7 বা ৮ ঘন্টা সময় অবশ্যই রাখতে হবে। তবে বেশি ভালো হয়, যদি আপনি মেহেদী ১২ ঘন্টা সময় ঘরে হাতে রাখতে পারেন। মনে রাখবেন, মেহেদীর রঙ ভালো এবং দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য যত বেশী হাতে রাখতে পারবেন, ততো দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই হবে।
মেহেদী ডিজাইন করার কৌশল এবং ধারণা সমূহঃ
মূলত মেহেদী ডিজাইন করার ক্ষেত্রে যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে, তা হলো হাতের গড়ন অনুযায়ী সঠিক বা মানানসই মেহেদী নকশা নির্বাচন করা। অর্থাৎ ডিজাইনের লাইনগুলো সরু করলে পুরো ডিজাইনটি ভালো হবে কিনা? এবং সর্বোপরি তা দীর্ঘক্ষণ হাতে রাখা যা কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা। তবে আপনার হাতের গড়ন মানে হাতের তালু যদি ভরাট হয় তাহলে মান্ডালা ডিজাইনটি সবচেয়ে ভালো মানাবে। আর যদি আপনার হাত ছোট বা সরু ধরণের হয় তাহলে একপাশে লম্বালম্বি বা আরবিক ধাঁচের ডিজাইনগুলি নিবার্চন করতে পারেন, যা সবচেয়ে ভালো ও আকর্ষণীয় লাগবে। সাধারণত মেহেদী ডিজাইন করার সময় আপনার হাতের আঙুলগুলো নিজের দিকে রাখতে হবে এবং হাতের কবজি বাইরের দিকে। এক্ষেত্রে আপনি যদি কবজি থেকে নকশা শুরু করেন, তাহলে তা ধীরে ধীরে সামনের দিকে মানে আঙুলের দিকে অগ্রসর হবে এবং এতে কিন্তু হাত কাঁপার সম্ভাবনা কম থাকে এবং ডিজাইন নষ্ট হয় না। যদি ডিজাইন করার সময় নিখুঁত বৃত্ত বা সোজা লাইন আঁকতে কোন সমস্যা হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই সেলোটেপ আটকে দিয়ে মাঝখানে মেহেদী ভরতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যদি নকশা আঁকাতে গিয়ে কোন দাগ ছড়িয়ে যায় বা বেশি মোটা হয়ে যায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে কটনবাড দিয়ে তা মুছে নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, আপনি যদি ভালো ডিজাইন আঁকতে চান, তাহলে অবশ্যই মেহেদী ডিজাইন করার পূর্বে যে স্থানে মেহেদীর নকশা আঁকবেন, প্রয়োজনে সেখানে পেন্সিল বা কলম দিয়ে আগে আপনার পছন্দের ডিজাইনটি সেখানে আঁকিয়ে নিতে পারেন।
আরও পড়ুন ঃ ঈদ-উল-আজহা ২০২৬-এ জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোর নানা কালেকশন
মেহেদী ডিজাইন করার ধারণার মধ্যে সর্বপ্রথম হলো মেহেদীর নকশা নির্বাচন করা। দ্বিতীয়ত হলো, কোন ইভেন্টে মেহেদী ব্যবহার করবেন। এরপর পছন্দকৃত নকশাটি শরীরের কোন অংশে আঁকবেন, যেমন-হাতের বাহুতে, হাতের দুই পাশে, হাতের তালুতে, পিঠে, কাঁধে বা পায়ে ইত্যাদি।
সাধারণত ছোট যে কোন ধরণের ফুল, বেল অথবা জ্যামিতিক জাতীয় নকশাগুলি আপনি ইচ্ছে করলে আঙুল, কব্জি বা হাতের একপাশে আঁকতে পারেন। অনেকেই বিভিন্ন অলংকার অর্থাৎ আংটি বা ব্রেসলেটের মতো মনে হয় এমন নকশা এঁকে থাকেন। আবার অনেকেই বিভিন্ন আরবি ফুলের নকশা, ভারতীয় জটিল বা ঘন কোন নকশা, ফিউশন বা ইন্দো ওয়েষ্টার্ন জাতীয় আধুনিক জ্যামিতিক নকশার সাথে মিশ্রণে একটি নতুনত্ব ধরণ তৈরি করেন। আপনি ইচ্ছে করলে বোল্ড স্ট্রোক মোটিফ হিসেবে সহজ আরবি মেহেন্দি ডিজাইন পছন্দ করত পারেন। আবার ক্লাসিক সহজ আরবি, ময়ূর সহজ আরবি, ফ্লোরাল সিম্পল আরবি, রঙ্গোলি প্যাটার্ন সহজ আরবি, স্পেসসহ ফুলের সহজ আরবি, হাতফুল প্যাটার্ন সহজ আরবি, জুয়েলারি ষ্টাইল সহজ আরবি মেহেদী ডিজাইনগুলি নির্বাচিত করতে পারেন।
ঈদ, পূজো এবং বড়দিন উপলক্ষে মেহেদী ডিজাইনঃ
ঈদ হচ্ছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। তাই ঈদের জন্য আপনি ইচ্ছে করলে আপনি চাঁদের ছবি, মিনারের ছবি, ঈদ মোবারকসহ আপনার নাম, অ্যারাবিয়ান ধাঁচের কোন ফুল, লতা বা বিশেষ কোন ডিজাইনের নকশাও আঁকতে পারেন আবার সম্পূর্ণ হাত ফাঁকা রেখে শুধুমাত্র আঙুলের পাশ দিয়ে বা নখের চারপাশে আংটির মতো কোন ডিজাইনও আঁকতে পারেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব হলো দূর্গাপূজা। তাই পূজো উপলক্ষে আপনি ইচ্ছে করলে ওম চিহ্ন, স্বস্তিকা চিহ্ন, শঙ্খ বা পদ্মফুলের ছবি, ভারতীয় নকশার কোন প্যাটার্ন, ঘটের ছবি, মা দূর্গার মুখাকৃতি, শিবের ত্রিশুল বা ডমরু, বিভিন্ন অলংকারের ছবি ইত্যাদি ধরণের নানাবিধ নকশা আঁকতে পারেন।
খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হলো বড়দিন। সুতরাং বড়দিন উপলক্ষে আপনি ইচ্ছে করলে হাতে বা আপনার পছন্দকৃত জায়গায় ‘ক্রুস চিহ্ন’, যিশু খ্রিষ্টের লকেট, জপমালা বা রোজারি-র নকশা আঁকতে পারেন। এ ছাড়াও আপনার হাতের তালুর মাঝখানে ক্রিসমাস ট্রি, সান্তা ক্লজের মুখ বা টুপি, হাতের চারপাশে বড়দিনের উজ্জল তারা বা বরফের দানার মোটিফ, হাত ভর্তি লতাপাতার সাধারণ নকশা, ঐতিহ্যবাহী ঝুলন্ত মোজা বা মিষ্টি ক্যান্ডি কেইনের ছোট কোন নকশা নির্দ্দিধায় আঁকতে পারেন।
গায়ে হলুদ বা বিয়েতে মেহেদী ডিজাইনঃ
সব ধর্মেরই বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানের জন্য একটি বাড়তি আনন্দ-উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং নানাবিধ প্রস্তুতি থাকে। আর এ রকম ধরণের অনুষ্ঠানগুলোতে সকলের মধ্যেই একটি সাজ সাজ রব পড়ে যায় এবং সে কারণেই মেহেদীর নকশাও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অংশ হিসেবে দেখা হয়। সাধারণত এই ধরণের অনুষ্ঠানগুলোতে নিত্য-নতুন পোশাকের সাথে ম্যাচিং করেই মেহেদীর নকশা নির্বাচন করে প্রত্যেকেই। আর বিশেষ করে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে শাড়ী বা অন্যান্য পোশাকের সঙ্গে মেহেদীর নানাবিধ নকশা নির্বাচন করাটাও অত্যন্ত জরুরী বা প্রয়োজনীয়।
তবে সাধারণত গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে যাদের হাতের তালু ভরাট তাদের জন্য মান্ডালা বা রাজস্থানি নকশা এবং আঙুলের জন্য চিকন বা পাতলা লতানো ডিজাইন করা। এ ছাড়াও অনেকে ফুল ও লতাপাতার নকশা পোশাকের সাথে সামঞ্জস্য করে আঁকিয়ে থাকে। অনেকে হাতের তালু থেকে শুরু করে একেবারে কনুই পর্যন্ত ভরাট আরবিক ও মোগলাই ডিজাইন করে থাকে, যেগুলোর মধ্যে চমৎকার ফুলের মোটিফ ও জালি নকশা থাকে। অনেকে হাতের কব্জিতে ব্রেসলেট বা চুড়ির মতো ডিজাইন এবং আঙুলের পিছন দিকে গয়না ষ্টাইলের নকশা আঁকিয়ে থাকে। মোটকথা পোশাকের রঙ, ধরণ এবং নিজেকে মানাবে এমন ডিজাইন নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ।
মেহেদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতাসমূহঃ
মেহেদী নানা বৈচিত্র্যে ব্যবহার অনেকের নিকট অত্যন্ত প্রিয় হলেও তা ব্যবহারে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা ভালো। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই মেহেদী সবার শরীরে শ্যুট বা ম্যাচ করে না। বিশেষ করে যাদের অ্যালার্জেটিক সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি অনেকেই জানে, আবার অনেকেই না জানার কারণে হয়তো প্রথমবার বিভিন্ন উচ্ছলতার কারণে শরীরে মেহেদী ব্যবহার করে ফেলে কিন্তু এর ফল দাঁড়ায় বিষাদে। যেমন হতে পারে স্কিনে ফোস্কা পড়তে পারে বা চলুকানিও শুরু হতে পারে। তবে সাদারণত যে সমস্যাগুলি হয়ে থাকে, তা হলো-স্কিন লাল হয়ে যাওয়া, স্কিনে র্যাশ হতে পারে আবার স্কিনে ফোস্কাও পড়তে পারে। তাই মেহেদী ব্যবহারের আগে আপনার শারীরিক সমস্যাগুলির উপর গুরুত্ব প্রদান করে।
মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস-শেষ কথাঃ
উপরোক্ত আলোচনায় আপনারা মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে জানতে পেরেছেন। আশাকরি আজকের আলোচনাটি আপনাদের অনেক সহায়ক হবে। আমাদের উপমহাদেশে বহু আগে থেকেই মেহেদী দিয়ে হাত রাঙানোর বিষয়টি চলে আসছে। তবে বর্তমানে মেহেদী ব্যবহারের ধরণ পাল্টেছে, অর্থাৎ আগে অনেকেই মেহেদী দিন হাতের তালুর মাঝখানে এবং নখগুলোতে টুপির মতো করে। কিন্তু মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস বিষয়ক আলোচনায় নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, এখন আর মেহেদী হাতের তালুর মধ্যে সীমাবন্ধ নেই।
আরও পড়ুন ঃ ঢাকা হতে সিলেট ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া
যাইহোক, আজকাল মেহেদী ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন, বিউটি পার্লার বা অভিজ্ঞ কোন ডিজাইনারকে দিয়েও বিশেষ বিশেষ কোন অনুষ্ঠানে মেহেদী ডিজাইন করা হয়ে থাকে। পরিশেষে আজকের মেহেদি ডিজাইন করার বিভিন্ন ট্রিপস বিষয়ক আর্টিকেলে আপনাদের সকলকে mithurajit.com এর পক্ষ হতে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এবং সেইসঙ্গে আজকের চলমান আলোচনায় আপনার যদি কোন মন্তব্য/পরামর্শ থাকে, তাহলে তা কমেন্টের মাধ্যমেও আমাদের জানাতে পারেন।









.png)

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url