ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া
ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া এবং সাপ্তাহিক বন্ধের দিনসহ অন্যান্য তথ্য জানতে নিচের তথ্যগুলি পড়ুন।
ঢাকা কমলাপুর স্টেশন হতে প্রতিদিন ৪টি আন্তঃনগর ট্রেন যশোর রুটে বিভিন্ন সময়ের আবর্তে যাতায়াত করে থাকে। তাই এসব ট্রেনের যাবতীয় তথ্য নিচের সূচিপত্র অনুযায়ী জেনে নিতে পারেন।
সূচিপত্রঃ ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া
ঢাকা হতে যশোর রুটের ট্রেনের তালিকা ও নম্বরঢাকা হতে যশোর চলাচলকারী ট্রেনগুলির সময়সূচি
ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের আসন ধরণ ও ভাড়া
ঢাকা হতে যশোর ট্রেনগুলির সাপ্তাহিক বন্ধের দিন
ঢাকা হতে যশোর চলাচলকারী ট্রেনগুলির ষ্টেশনের তালিকা
যেভাবে ট্রেনের অবস্থান জানা যাবে
অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম
ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া-শেষ কথা
ঢাকা হতে যশোর রুটের ট্রেনের তালিকা ও নম্বরঃ
মূলত ঢাকা কমলাপুর ষ্টেশন হতে বেশীরভাগ আন্তঃনগর ট্রেনগুলি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকে।
আরও পড়ুনঃ ঢাকা টু জয়পুরহাট ট্রেনের তালিকা সময়সূচী ও ভাড়া
এরই ধারানুযায়ী ঢাকা হতে খুলনাগামী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ৪টি ট্রেন যশোর ষ্টেশনে হল্ট করে দেশের অন্যান্য জেলা ও শহরে নিয়মিত আসা-যাওয়া করে থাকে। যদিও ভিন্ন ভিন্ন সময়ের আবর্তে পরিচালিত এই ট্রেনগুলির তালিকা ও ট্রেনের নম্বর নিম্নে ছক আকারে প্রদর্শিত হলোঃ
ঢাকা হতে যশোর চলাচলকারী ট্রেনগুলির সময়সূচিঃ
প্রকৃতপক্ষে ঢাকা টু যশোর রুটে ৪টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে থাকে। অর্থাৎ এইসব ট্রেনগুলি বিভিন্ন সময়ে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাত্রা করে। আসলে ট্রেন হচ্ছে দূর যাত্রার জন্য সবচেয়ে উপযোগী, নিরাপদ, আরামদায়ক এবং খরচ সাশ্রয়ী একটি মাধ্যম। আর আমাদের কৃষ্টি-কালচার বা গ্রাম বাংলায় বেড়ে ওঠার সাথে ট্রেনের যে একটি আত্মিক যোগসূত্রও রয়েছে, তা বলাইবাহুল্য। যাইহোক, নিম্নে এসব ট্রেনের সময়সূচী ছক আকারে বর্ণিত হলোঃ
ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের আসন ধরণ ও ভাড়াঃ
মূলত ঢাকা হতে যশোর রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলি প্রত্যেকটিই দূর পাল্লার এবং আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবেই সমধিক পরিচিত। আর সেই কারণে এসব ট্রেনগুলিতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ধরণের আসনের ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ সকলের পজিশন অনুযায়ী বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এইসব ট্রেনগুলিতে নানা ধরণের আসনের বিন্যাস রেখেছেন। যেমন-এসি, নন-এসি, সাধারণ ইত্যাদি। তবে যারা নিয়মিত ট্রেনে যাতায়াত করে তাদের জন্য এবং যারা মাঝে-মধ্যে যাতায়াত করে উভয়ের জন্যই লক্ষ্য রাখা উচিত যে, বিভিন্ন সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে এবং চলমান অবস্থা সৃষ্টে এইসব ট্রেনগুরির আসন ভাড়া বা টিকিটের মূল্যও কম-বেশী হতে পারে। যাইহোক, নিম্নে বিভিন্ন ট্রেনের আসন ভাড়া বা টিকিটের মূল্য ছক আকারে প্রদর্শিত হলোঃ
ঢাকা হতে যশোর ট্রেনগুলির সাপ্তাহিক বন্ধের দিনঃ
ঢাকা টু খুলনাগামী যশোর স্টেশনে হল্ট করা ৪টি ট্রেনের প্রতিটা ট্রেনই সপ্তাহের কোন না কোন দিন বন্ধ থাকে। এক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হচ্ছে, নিয়মিত ট্রেনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন ট্রেন সপ্তাহের কোনদিন বন্ধ থাকে। অর্থাৎ ট্রেনের তথ্যগুলি পুরোপুরি জানা থাকলে অযথা হয়রানি বা ঝামেলায় কম পড়তে হয়। সুতরাং এরই পরিপ্রেক্ষিতে নিম্নে ঢাকা টু যশোর রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলির সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছক আকারে বর্ণিত হলোঃ
ঢাকা হতে যশোর চলাচলকারী ট্রেনগুলির ষ্টেশনের তালিকাঃ
ঢাকা কমলাপুর ষ্টেশন থেকে যশোর ষ্টেশনে প্রকৃতপক্সে যে ৪টি ট্রেন যাতায়াত করে থাকে, এই সকল ট্রেনগুলি যে একই রুটে চলাচল করে থাকে বা সবগুলো ট্রেনই যে একই ষ্টেশনে থামে, তা কিন্তু নয়।
আরও পড়ুনঃ রাজশাহী হতে চিলাহাটি ট্রেনের সময়সূচী ভাড়া ও ষ্টপেজসমূহ
অর্থাৎ প্রতিটা ট্রেনই একটু ভিন্ন ভিন্ন ষ্টেশন হয়ে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থলে পৌঁছায়। আর সেক্ষেত্রে সময়েরও পরিবর্তন ঘটে থাকে এবং এক অঞ্চলের মানুষ অন্য অঞ্চলে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে। নিম্নে এসব ট্রেনগুলি থামা/হল্ট করার বিভিন্ন ষ্টেশন লিষ্ট প্রদত্ত হলোঃ
ঢাকা কমলাপুর ষ্টেশন থেকে যশোর ষ্টেশনে প্রকৃতপক্সে যে ৪টি ট্রেন যাতায়াত করে থাকে, এই সকল ট্রেনগুলি যে একই রুটে চলাচল করে থাকে বা সবগুলো ট্রেনই যে একই ষ্টেশনে থামে, তা কিন্তু নয়। অর্থাৎ প্রতিটা ট্রেনই একটু ভিন্ন ভিন্ন ষ্টেশন হয়ে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থলে পৌঁছায়। আর সেক্ষেত্রে সময়েরও পরিবর্তন ঘটে থাকে এবং এক অঞ্চলের মানুষ অন্য অঞ্চলে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে। নিম্নে এসব ট্রেনগুলি থামা/হল্ট করার বিভিন্ন ষ্টেশন লিষ্ট প্রদত্ত হলো-
সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটির বিভিন্ন ষ্টপেজ ষ্টেশন তালিকাঃ
ঢাকা হতে ভাঙ্গা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, পাংশা, কুষ্টিয়া কোর্ট, পোড়াদহ, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা, দর্শনা হল্ট, কোর্ট চাঁদপুর, মোবারকগঞ্জ, যশোর ষ্টেশন।
বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটির বিভিন্ন ষ্টপেজ ষ্টেশন তালিকাঃ
ঢাকা হতে ভাঙ্গা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, খোকসা, কুষ্টিয়া, পোড়াদহ, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা, দর্শনা হল্ট, কোর্ট চাঁদপুর, মোবারকগঞ্জ এবং যশোর ষ্টেশন।
রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনটির বিভিন্ন ষ্টপেজ ষ্টেশন তালিকাঃ
ঢাকা হতে ভাঙ্গা, কাশিয়ানী, বড়াইল এবং যশোর ষ্টেশন।
চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনটির বিভিন্ন ষ্টপেজ ষ্টেশন তালিকাঃ
ঢাকা হতে ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, ইব্রাহিমাবাদ, এস এইচ মনসুর আলী, উল্লাপাড়া, বড়াল ব্রীজ, চাটমোহর, ঈশ্বরদী, ভেড়ামারা, পোড়াদহ, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা, কোর্ট চাঁদপুর, মোবারকগঞ্জ এবং যশোর ষ্টেশন।
যেভাবে ট্রেনের অবস্থান জানা যাবেঃ
ট্রেনে ভ্রমণকালে অনেক সময় ট্রেনের অবস্থান জানার প্রয়োজন দেখা দেয়। অর্থাৎ ট্রেনের লাইন ক্লিয়ার/সিগন্যাল না পাওয়া/ট্রেনের যান্ত্রিক ত্রুটি ইত্যাদি নানাবিধ কারণে কিন্তু মাঝে মধ্যেই ট্রেন আসতে বা ষ্টেশন থেকে ছাড়তে দেরী হয়। সেক্ষেত্রে একটি বিষয় চলে আসে, তা হলো বর্তমানে ট্রেনটি কোথায় অবস্থান করছে এটা জানা। আবার গুগল অ্যাপস ব্যবহার করেও ট্রেনের কোথায় অবস্থান অনায়াসে জেনে নিতে পারেন। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে আপনার হাতে থাকা একটি মোবাইল ফোন, হোক সেটা বাটন ফোন বা স্মার্ট ফোন তাতে কোন সমস্যা নেই। আপনি ইচ্ছে করলেই নিজের সীটে/স্টেশনে থাকাবস্থায় জানতে পারবেন বর্তমানে ট্রেনের প্রকৃত অবস্থান কোথায়? অর্থাৎ বর্তমানে ট্রেনটি কোন স্টেশন ছেড়েছে বা বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছে অথবা ইন্টরনেট সংযোগের মাধ্যমে গুগল অ্যাপস ব্যবহার করেও আপনার গন্তব্যস্থল যেতে সামনে আর কতোগুলি ষ্টেশন আছে, বা কত সময় লাগতে পারে ইত্যাদিও জেনে নিতে পারেন অনায়াসে। আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে TR<space>৭২৬ বা ৮২৮ লিখে পাঠিয়ে দিন 16318 নম্বরে। ব্যস ফিরতি মেসেজে আপনি ট্রেনের অবস্থান সর্ম্পর্কে জানতে পারেন।
অবশ্যই মনে রাখার চেষ্টা করবেন, যখনই আপনি নিজ এরিয়া পরিত্যাগ করে অন্য এরিয়া বা অন্য কোন অঞ্চলে যাবেন, তখন অবশ্যই নিজের বিচার-বুদ্ধি-বিবেচনা বা উপস্থিত বুদ্ধির প্রয়োগ দক্ষতার সাথে ঘটাতে হবে।
অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়মঃ
ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য এখন আর অনেকেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন না। বাসায় বসে ঠান্ডা মাথায় অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কেটে থাকেন। আর এ জন্য আপনার বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। যদি অ্যাকাউন্ট না থাকে, তাহলে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে হবে। মোট কথা, অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে আরম্ভ করে কিভাবে টিকিট কাটবেন, কিভাবে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করবেন ইত্যাদি সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত জানতে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম-এ লিংকটি ক্লিক করুন।
ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া-শেষ কথাঃ
মূলত ঢাকা টু যশোর রুটে মোট ৪টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে থাকে। এইসব ট্রেনগুলি বিভিন্ন সময়ের আবর্তে বিভিন্ন স্টেশনে যাতায়াত করে থাকে। তাই, আশাকরি আজকের ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া বিষয়ক আর্টিকেল থেকে ইতিমধ্যেই তা বুঝতে ও জানতে পেরেছেন। যা পরবর্তীতে আপনাদের ঢাকা হতে যশোর আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই সহায়ক হবে বলে মনে করি। আসলে ট্রেনযাত্রা হলো বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষদের সমাগম। যার ফলে নিজের সতর্ক থাকাটা ভীষণ প্রয়োজন। কারণ রেলওয়ে নিরাপদ ভ্রমণ, সময়ানুবর্তিতা, সাশ্রয়ী ইত্যাদি বিষয়গুলির নিশ্চয়তা দিচ্ছে, কিন্তু জানমালের নিরাপত্তা তো আর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দিবেনা, তাই রেলপথে যাত্রাকালে নিজের একটু বাড়তি সচেতন থাকা অত্যাবশ্যক।
আরও পড়ুনঃ রাজশাহী হতে রহনপুর ট্রেনের সময়সূচি ভাড়া ও ষ্টপেজসমূহ
সুতরাং,আজকের ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া এবং সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সহ নানা বিষয়ের তথ্যগুলি আপনাদের ভালো লেগে থাকে বা প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়, তাহলে তা অন্যদেরও শেয়ার করতে পারেন। মোট কথা ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া বিষয়ক সমস্ত তথ্য যদি আপনার জানা থাকে, তাহলে আপনার ট্রেনযাত্রা নিরাপদ, সুন্দর ও মসৃণ হয়ে উঠবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত ঢাকা হতে যশোর রুটে মোট ৪টি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি শুধুমাত্র বিভিন্ন শহর, জেলা ও বিভাগকে এক সুতোয় বেঁধে রাখার দায়িত্বই পালন করছেনা, বরং অনেক স্বল্প আয়ের মানুষের জন্যও এটি নিরাপদ এবং খরচ সাশ্রয়ী একটি মাধ্যম হিসেবে খুবেই সুপরিচিত। সবশেষে আজকের ঢাকা হতে যশোর ট্রেনের তালিকা সময়সূচি ও ভাড়া বিষয়ক আলোচনায় আপনার সর্বাত্মক উপস্থিতি এবং অংশগ্রহণের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জ্ঞাপন করছি।





এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url